বিরিয়ানি মানেই সুগন্ধি চাল, মশলা আর নরম মাংসের দারুণ সমন্বয়। তবে যদি সেই পরিচিত বিরিয়ানিই রান্না করা হয় বাঁশের ভেতরে, তাহলে স্বাদ ও পরিবেশনের অভিজ্ঞতা দুটিই হয়ে ওঠে একেবারে ভিন্ন। বাঁশের ভেতরে ধীরে ধীরে রান্না হওয়া এই বিরিয়ানিতে মাংস ও মসলার ঘ্রাণ মিশে তৈরি হয় এক বিশেষ স্বাদ। অভিনব এই রান্নার পদ্ধতি এখন খাবারপ্রেমীদের কাছেও বেশ আকর্ষণীয়।
উপকরণ
বাসমতি চাল- ২ কাপ
মুরগি- ৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ- ৩টি
আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
টক দই- আধা কাপ
কাঁচামরিচ- ৪-৫টি
লবণ- স্বাদমতো
মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
হলুদ- আধা চা চামচ
জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ
গরম মসলা- ১ চা চামচ
দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ- পরিমাণমতো
তেল/ঘি- প্রয়োজনমতো
ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা- এক মুঠো
জাফরান বা কেওড়া জল- অল্প
পানি- প্রয়োজনমতো
মোটা, পরিষ্কার বাঁশের একটি অংশ
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে মুরগি ম্যারিনেট করুন। মুরগির সঙ্গে দই, আদা-রসুন বাটা, লবণ, মরিচ, হলুদ, জিরা ও গরম মসলা মিশিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট রেখে দিন। চাল ধুয়ে ২০-৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর অল্প লবণ ও গোটা মসলা দিয়ে চাল প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। কড়াইয়ে তেল বা ঘি দিয়ে পেঁয়াজ ভেজে বেরেস্তা তৈরি করুন। একই প্যানে ম্যারিনেট করা মুরগি দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন। মুরগি পুরোপুরি শুকিয়ে ফেলবেন না; সামান্য ঝোল থাকা ভালো। এবার পরিষ্কার বাঁশের ভেতরে প্রথমে সামান্য মুরগি দিন। তার ওপর ভাত, বেরেস্তা, পুদিনা, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ দিন। এভাবে স্তর তৈরি করুন। একেবারে মুখ পর্যন্ত ভরবেন না কিছুটা জায়গা খালি রাখুন। বাঁশের মুখ পরিষ্কারভাবে ঢেকে দিন। এরপর বাঁশটি সরাসরি আগুনের ওপর না দিয়ে এমনভাবে রান্না করুন যাতে অতিরিক্ত আগুনে বাঁশ পুড়ে না যায়। ধীরে ধীরে তাপে রান্না করাই নিরাপদ। ভেতরের ভাত ও মাংস ভালোভাবে গরম হয়ে সুগন্ধ বের হলে নামিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। বাঁশ কেটে বা খুলে বিরিয়ানি বের করে পরিবেশন করুন।



