ছাত্রজীবন থেকেই সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন তরুণ সমাজকর্মী মোঃ ফজল আহমদ (২৩)। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের দুর্দশা লাঘব এবং সমাজে ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
মোঃ ফজল আহমদ সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ কানিশাইল গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতা আনছার আলী। নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ করতে ২০১৫ সালে সমবয়সীদের নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘দক্ষিণ কানিশাইল লতিফিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থা’। পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ড্রিম অ্যাসোসিয়েশন’-এর সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেছেন। এসব সংগঠনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখেন তিনি।
স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি বরাদ্দে ও বিভিন্ন অনুদানে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গ্রুপের মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ চলতে থাকা অন্যায়-অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ করে আসছেন। এইসব প্রতিবাদ করতে গিয়ে সিন্ডিকেট গ্রুপের সদস্য ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও আওয়ামিলীগ নেতাদের সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টায় বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকিসহ হামলার শিকার হয়েছেন।
মোঃ ফজল জানান: সম্প্রীতি, ০৪/০৫/২০২১ তারিখে ঢাকাদক্ষিন বাজারে “চাদাবাজ ও মাদক সরবারাহের” বিরুদ্ধে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন পাশাপাশি সিন্ডিকেট গ্রুপ দ্বারা তিনি হেনস্তা ও হামলার শিকার হচ্ছেন এগুলো জনসম্মুখে উপস্থাপন করেন। মানবন্ধনের পরেরদিন তার এই বক্তব্যের জের ধরে দফায় দফায় তার ব্যবসা প্রতিষ্টানে এসে তাকে হামলা ও দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য চাদাবাজিতে সম্পৃক্ত আওয়ামিলীগের প্রভাবশালী নেতা খায়রুল হক গ্রুপের কর্মী বাহিনী ও বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান।
মোঃ ফজল আহমদ এইসব হুমকি ধামকিতে ভয় পেয়ে ০৬ মে বৃহস্পতিবার থানায় একটি অভিযোগ করতে যান। সেই অভিযোগের খবর পেয়ে ঐদিন সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড মেম্বার ও আওয়ামীলীগ-বিএনপি সম্পৃক্ত কিছু সন্ত্রাসীরা ফজলের বাড়িতে গিয়ে তার ও তার ভাইয়ের উপর হামলাসহ ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে আসে।
এমনতাবস্তায় মোঃ ফজল চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন খবর পান, উনার দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। মোঃ ফজল ও তার ভাইয়ের দাবি, দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ সম্পৃক্ত ঐ সিন্ডিকেট গ্রুপই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্টানে এই ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
