চুংগা পোড়া বা চুংগা পিঠা

আমেরিকায় প্রবাসী কবি ও লেখক ইছমত হানিফা চৌধুরী নিউইয়র্কে বসবাস করছেন অনেকদিন থেকে। প্রায়ই তিনি চলার পথে দেশের ফেলা আসা দিনগুলো কথা মনে করে লিখেন। তেমনি এবার তিনি চুংগা পোড়া বা চুংগা পিঠা কথা স্মৃতিপাতা থেকে লিখেছেন প্রবাস বসেই দেশী স্বাদ পেলেন। সেই কথাগুলো আমার সিলেট পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।

চুংগা পোড়া বা চুংগা পিঠা

বদর পুর, জকিগঞ্জ এর এক বিলাসী রসনা।শীত এর শুরু থেকে শেষ।মাসে একবার হলেও সকালের নাস্তায় চুংগা পোড়া খেতে চাই।সাথে কেউ খান নারকেল, দুধ,দুধের ক্ষীরশা,আবার আমার পছন্দ মাছ ভাজি,শোল মাছ হলে আর কিছু লাগে না। গরুর মাংসের ঝুরা ভাজি কিংবা হাসের মাংস ভাজা।আবার লাল চা য়ে চুবিয়ে খেতেও দারুণ লাগে।

নিউইয়র্কে, এর আগে এই জিনিস দেখি নাই। আজ দেখামাত্র নিয়ে আসলাম। তৃপ্তি কি শুধু খাওয়ায়।এই পিঠা একা আমার ঘরে আসে নাই,তার সাথে উকি দিচ্ছে,বদর পুরের দেওয়ারাই,সিরাজ পাড়ার উঠান কাজলশাহের বরই গাছের তলা।টুপটুপ করে কুয়াশা ঝরত। ভোরের বাতাসে ঝরা কুয়াশার ঘ্রাণ ভেসে বেড়াতো। সামনের বড় পুকুরে যখন রাতে ভিজিয়ে রাখা ডলু বাশের ভিতর প্রসেস করা চাল সমেত, চুংগা তুলা হত,পাশে দাড়িয়ে দেখতাম কিভাবে পুকুরের পানি থেকে ঠান্ডা ধোয়া উড়ছে।এরপর উঠানের মাটিতে লম্বা গর্তকরে, চুংগাগুলো সারিবদ্ধভাবে রেখে,খড়ের আগুন দিয়ে পোড়া হত।আর আগে থেকে রান্না করা হাসের মাংস, কিংবা ক্ষীরশা দিয়ে সবাই একসাথে বসে খেতাম।আব্বা নিজের শৈশোবের গল্প করতেন, কিভাবে উনার নানার সাথে শিকারে যেতেন।আরও কত গল্প।এই গল্প গুলো চুপচাপ হেটে যেত অতীত থেকে ভবিষ্যতে। যা, বার বার শুনতে ভাল লাগতো। স্মৃতি ফিরে এসেছে বাশের ভিতরে কলাপাতায় মোড়ানো বিরন ভাতে। আহা

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৮
  • ১১:৪৮
  • ৪:০৬
  • ৫:৫১
  • ৭:০৪
  • ৫:৪১