সিলেটে নতুন-পুরোনো কূপে গ্যাসের খোঁজ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশে ৩০০টি গ্যাসকূপ খনন ও পুনঃখননের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতায় ১৫টি কূপ খনন ও পুনঃখননের কাজ এগিয়ে চলছে।

 

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড সূত্রে জানা গেছে, নতুন কূপ খননের পাশাপাশি পুরোনো কূপ পুনঃখননের মাধ্যমে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রশিদপুর-১৩ নম্বর কূপে খননকাজ চলছে। এ ছাড়া ডুপিটিলা-১, সিলেট-১৩ ও হরারগঞ্জ-১-এর মতো নতুন অনুসন্ধান কূপেও কাজ চলছে।

 

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘এরই মধ্যে সিলেট গ্যাস ফিল্ডে কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের কাজ এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে আমাদের আটটি ওয়ার্কওভার শেষ হয়েছে এবং পাঁচটি নতুন কূপ খননের কাজও শেষ হয়েছে।’

 

২০৩১ সালের মধ্যে নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ডুপিটিলা-১ নম্বর গ্যাসকূপ খননের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে চালু থাকা এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া গ্যাসকূপের আশপাশে অনুসন্ধান ও খনন করা হলে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

বিস্ফোরণের পর পরিত্যক্ত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রেও গ্যাসের বড় মজুত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা। সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন বলেন, আগের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের ধারণা, টেংরাটিলায় এখনো দুই টিসিএফের বেশি গ্যাস মজুত থাকতে পারে।

 

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড বর্তমানে ১৭টি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করছে। ২০৩১ সালের মধ্যে এ সরবরাহ ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩১
  • ১১:৪৫
  • ৪:০০
  • ৫:৪৩
  • ৬:৫৬
  • ৫:৪৩