আবুধাবিতে প্রথম সেশনে দাপট দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় সেশনে বদলে গেল ম্যাচের চিত্র। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে টাইগাররা। মাত্র ৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আফগানিস্তান।
শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম সেশনটা নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। তানজিদ হাসানের ৮৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস আর সাদমান ইসলামের ৬৭ রানে ভর করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়েছিল দল। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি ব্যাটাররা।
সাদমান ফেরার পর মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছিলেন। তবে ৩৯ রানে মুমিনুলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে প্রথম ধাক্কা দেন ইয়ামিন আহমদজাই। কাভারে রহমত শাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুমিনুল।
এরপর ক্রিজে নেমে টিকতেগ পারেননি মুশফিকুর রহিমও। ইয়ামিনের ইনসুইং ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে শূন্য রানে ফিরেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। পরপর দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
সেই চাপ আরও বাড়িয়ে দেন স্পিনার কায়েস আহমেদ। নাজমুল হোসেন শান্তকে ২৯ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। ফলে ২২১ রানে ২ উইকেট থাকা বাংলাদেশের স্কোর ২২৫ হতেই দাঁড়ায় ৫ উইকেটে। মাত্র ৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে হঠাৎই খেই হারায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২২৬/৫ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। লিটন দাস ৩ ও মেহেদি হাসান মিরাজ ০ রানে অপরাজিত আছেন।
দ্বিতীয় সেশনে মোট ৯৪ রান তুললেও ৪ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। আফগান বোলাররা গতি ও নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথে চাপ বাড়িয়েছেন, স্পিনাররাও কাজে লাগিয়েছেন নিজেদের সুযোগ। প্রথম সেশনের স্বস্তির পর এখন বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।



