প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই সৌদি আরব যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেশটিতে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগির কোনো এক সময়ে তিনি এ সফর করবেন।
আজ শনিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ‘কর্মশক্তি থেকে কৌশলগত অংশীদারি : বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের পুনর্কল্পনা’ শীর্ষক এ সেমিনারের যৌথ আয়োজন করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তার সুবিধাজনক সময়ে তাকে স্বাগত জানাতে আমরাও দৃঢ়ভাবে প্রস্তুত রয়েছি।’
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘মেরিটাইম সিকিউরিটির ক্ষেত্রে আমরা সৌদি আরবের একটি শক্তিশালী অংশীদার। পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে আমরা ইতিবাচক আলোচনা করছি। যদি এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের অনুকূলে থাকে এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে আমরা এটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি মনে করি, আমাদের শান্তিরক্ষার দক্ষতা মুসলিম দেশগুলোর সেবা করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ রাখতে বিশেষ অবদান রাখতে পারবে, এ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সব ধরনের সুযোগ রয়েছে।’
সৌদি আরবে বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার আমাদের সরকারের কাছে সবসময় অগ্রাধিকার পাবে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শ্রম নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমিক ও নিয়োগকর্তাদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা সৌদি আরবের সহযোগিতার প্রশংসা করি। আমরা চাই, আমাদের কর্মীদের কেবল শ্রমের উৎস হিসেবে না দেখে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে দেখা হোক।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয়) ড. মো. নজরুল ইসলাম। এতে আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল হান্নান চৌধুরী প্রমুখ।



