সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, শুধু পাসের হার বাড়ানোর পেছনে ছুটলে হবে না, শিক্ষার্থীরা প্রকৃত অর্থে কতটা জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করছে, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সিলেটের কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সিসিক প্রশাসক বলেন, একসময় শিক্ষা-দীক্ষায় সিলেট অঞ্চল দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিল। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে পড়েছে। এর অন্যতম কারণ মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভাব।
সিলেটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নতুন মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান উন্নত করতে হবে।তিনি বলেন, সিলেটকে শিক্ষানগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অতীতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমান সংসদ সদস্য ও শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও সিলেটের শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে কাজ করছেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেটের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।
কৃতী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, তোমরাই আগামী দিনের সিলেট ও বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে। যোগ্য ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে হবে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অভিভাবক সদস্য মো. সালেহ মুসা।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আব্দুল গফুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক সভাপতি মাহবুব চৌধুরী, জিয়া সংসদ সিলেট জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল এবং দুর্নীতি মুক্তকরণ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ হোসেন।
