নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বহুল আলোচিত যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহালের সীমানা লাল নিশানা উড়িয়ে নির্ধারণ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে নদীর নির্ধারিত সীমানা ইজারাদারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এতে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে নির্ধারিত সীমানায় বালু উত্তোলনের পথ খুলেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপা মনি দেবী সরেজমিন পরিদর্শন করে বাংলা ১৪৩৩ সনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য ৩ কার্তিক থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত বালুমহাল দুটির সীমানা নির্ধারণ করে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, তাহিরপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিএমএসআর আলিফ, তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ, যাদুকাটা-১ ও ২ বালুমহালের ইজারাদার তাহিয়া স্টোন ক্রাশারের স্বত্বাধিকারী নাসির মিয়া, বিএনপি নেতা রাখাব উদ্দিন, মো. মোস্তাক আহমদ ও তহশিলদার রুহুল আমিন।

জানা যায়, যাদুকাটা-১ বালুমহালের ইজারামূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ কোটি ৮৩ লাখ ১৪ হাজার ৬৯ টাকা। অন্যদিকে যাদুকাটা-২ বালুমহালের ইজারামূল্য ধরা হয়েছে ২৬ কোটি ৮৩ লাখ ২১ হাজার ৩৫৩ টাকা। বালুমহাল দুটির ইজারার মেয়াদ ২০২৭ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকবে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপা মনি দেবী বলেন, সর্বশেষ দুই বালুমহালের ইজারা প্রদান নিয়ে সাবেক দুই ইজারাদার শাহ্ রুবেল ও রতন মিয়া পৃথকভাবে হাইকোর্টে রিট করেন। এর মধ্যে শাহ্ রুবেল একপর্যায়ে মামলা প্রত্যাহার করে নেন।

তিনি আরও বলেন, আইনি জটিলতা শেষে যাদুকাটা নদীর নির্ধারিত সীমানায় লাল নিশানা উড়িয়ে ইজারাদারকে সীমানা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নির্ধারিত সীমানায় বালু উত্তোলনে আপাতত আইনি জটিলতা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *