1. admin@amarsylhetnews.com : admin2020 :
  2. zoshim98962@gmaiil.com : আমার সিলেট ডেস্ক : আমার সিলেট ডেস্ক
  3. amarsylhetnews@gmail.com : আমার সিলেট নিউজ : আমার সিলেট নিউজ
  4. editor@amarsylhetnews.com : Amar SylhetNews : Amar SylhetNews

    মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম ::
বাহুবলে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নে ১১ প্রার্থীর প্রচারণা ও মনোনয়ন দৌড় হবিগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রাখার অঙ্গীকার আলেম ওলামাদের নবীগঞ্জের সদর ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান মাকাচ্ছিন মিয়া মহসিন বিয়ানীবাজারে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দোয়ারাবাজারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার শেখ রাসেল দিবসে কর্মসূচি পালন হয়নি,কামারকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাহিরপুরে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে হবিগঞ্জে মানববন্ধন ও পথসভা হবিগঞ্জ শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাজিদুর রহমানের ইন্তেকাল

বাহুবলে একজন কর্মচারীর রাজকীয় বিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে বিমানযোগে কক্সবাজার হানিমুনে ৯ বছর চাকুরি জীবনে অর্জন অসীম!

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১
  • ৩২৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাহুবল(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর কনক দেব মিঠু ২০১২ সালে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরীর আমলে নিয়োগলাভ করেন। দক্ষিণ বাহুবল গ্রামের কমলেষ দেব ও মাতা মনিরাণী দেবের পুত্র। বাবা সংসারের টানাপোড়েনে বাসের হেলাপার হিসেবে অতিকষ্টে সংসারের হাল ধরে রাখেন। পুত্রকে পড়ালেখা করান। এরই মাঝে আর্শিবাদপুষ্ট হন আব্দুল কাদির চৌধুরীর। মূলত: তার সুদৃষ্টিতেই নিয়োগপ্রাপ্ত হন কনক দেব মিঠু। এই কর্মজীবনের ৯ বছরের মাথায় জমিজমা খরিদ করে আজকের মিঠু কোটিপতি। গ্রামের বসতঘরে রয়েছে হাই প্রোফাইল এসি, বসতঘর সহ বাড়ির আঙ্গিনা পাকাকরণসহ মিলিয়ে দৃষ্টিনন্দন বাড়ি। চাকুরি রাজস্বভূক্ত না হলেও পরিষদ থেকে সর্বসাকল্যে বেতন পান মাত্র ১৫ হাজার টাকা। মা গৃহিনী এবং বাবা এখন কর্মহীন অবস্থায় আছেন। পরবর্তী সময়ে সুচতুর কনক দেব মিঠু নিজের আখের গোছাতে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তির আশির্বাদপুষ্ট হয়ে যান। ফলে তার হাতে মুঠোয় ধরা দেয় অর্থ নামক সোনার হরিণ। অর্থ বিত্ত অর্জন করে এবার বিয়ের পালা। গত ২৭/১১/২০২০ইং বিবাহ কার্য সম্পন্ন করেন। এর আগের দিন জমকালো গাঁেয় হলুদ অনুষ্ঠান করেন। রাজকীয় অবস্থায় বিবাহ করেন নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক বাজারের বাসিন্দা নারায়ণপালের কন্যা রিমা পালকে। শুরু হয়ে গেল দেব এবং পালের সংসার জীবন। নতুন বধুকে নিয়ে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সিলেট থেকে বিমানযোগে কক্সবাজারে হানিমুনে যান মিঠু দম্পতি। সেখানে কয়েকদিন আনন্দ উপভোগের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তরে পিকনিক স্পটে ঘুরতে গিয়েছেন কয়েকবার।

মিঠুর কাছে টাকা মুখ্য নয়, জীবনে আনন্দই মুখ্য। কিন্তু এত অর্থ বিত্তের মালিক কেমন করে হলেন মিঠু? এই প্রশ্নটিই সচেতন মানুষের মুখে মুখে চাউর। এর পর পরই অনুসন্ধান শুরু হলে বেরিয়ে আসে মিঠুর থলের বিরাল।
গত ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের এডিপি আওতাধীন ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার “চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন কর্মকর্তাদের ম্যানেজমেন্ট উদ্বুদ্ধকরণ সভা”। পরিষদের এক কর্মচারী জানান- এই টাকা বই মেলার জন্য রাখা হয়েছিল। প্রতি বছরই এমন হয়। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারি তো বই মেলা হলো না। তাহলে টাকা গেল কোথায়? যে সভা করা হয়েছে সভার পার্টিশিপেটদের সম্মানী বাবদ ২ হাজার টাকাও কেটে রাখা হয়েছে। একটি স্কীমের নামে অন্য স্কীম নেয়া যায়কি? নামকাওয়াস্তে সভা দেখিয়ে কি তাই করা হলো? চেয়ারম্যানগণ এবং কর্মকর্তাগণ ম্যানেজমেন্টে কি পরিমাণ উদ্বুদ্ধ হলেন? এসব প্রশ্নবোধক কাজেই প্রকল্প নেয়া হয়। অথচ উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান- এই স্কীমের উদ্বুদ্ধকরণের সভা অনুষ্ঠান ও ২ হাজার টাকার সম্মানী জানেনই না বলে জানান। উল্লেখ্য যে, বইমেলাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন আর্থিক নির্ভর অনুষ্ঠানাদির পরিচালনার হাত থাকে মিঠুরই। এক্ষেত্রে স্বীকার করতেই হবে যে, মিঠুর রয়েছে কর্মকর্তাদের সুনজর অর্জনের বৃদ্ধিবৃত্তিক কৌশল। একটি বিশ্বাসযোগ তথ্যমতে- ইতিমধ্যে মিঠুর ব্যাপারে দুদুকসহ কয়েকটি সরকারি দপ্তরে অনুসন্ধানের জন্য তথ্য উপাত্ত প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর