সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যানসহ চার নেতাকে আ’লীগ থেকে অব্যাহতি ইনাতগঞ্জে শালিস বৈঠকে পরিকল্পিত হামলা নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ ৫জন আহত লাখাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ চুনারুঘাট যুব এসোসিয়েশনের ঈদ পূর্ণমিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তাহিরপুরে প্লাবিত হয়ে প্রায় অর্ধশত গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বাহুবল৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সভাপতি নির্বাচিত বশির বাহুবলে পুটিজুরী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগেরত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষনা মধ্যনগর থানার ওসি জাহিদুল হক দোয়ারাবাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

লোকমুখে প্রচলিত হচ্ছে মিঠু তুমি কার?

  • আপডেট সময় শনিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৯১ বার পড়া হয়েছে

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: বাহুবল উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর কনক দেব মিঠুকে নিয়ে গত কয়েক দিন যাবৎ সর্বত্র চলছে তোলপাড়, এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, দুই বছরের মধ্যে সে একদিন তার সাথে গিয়েছিল, সে ইউএনও অফিসের কাজই করে বেশি,এমনকি ভ্রাম্যমান আদালতেও যায় সে, তিনি বলেন আমি বারণ করেছি, সে শুনেনি আমার কথা!
বাহুবল উপজেলা পরিষদের সিড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে বাম দিকে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের অফিস পার হয়েই একটি রাজকীয় অফিস চোঁখে পড়ে সেটা হল উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর কনক দেব মিঠু’র।

তার রাজকীয় অফিস দেখলে বুঝা যায় কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার অফিস! তার বেশ ভোষন তো প্রশাসনিক ক্যাডারের মত! সে অফিস করছে উপজেলা চেয়ারম্যান গণের চেয়ারে বসে।

সেই অফিসের চেয়ারে বসে দুই হাতে কামাই করছেন অবৈধ টাকা, কখনো উপজেলা পরিষদ কখনো উপজেলা প্রশাসন থেকে। যখন যেখানে যাকে কাজে লাগানো যায় সেখানেই কাজে লাগিয়ে হয়েছেন বিশাল অর্থ বিত্তের মালিক।

তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়কাটা ও অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তুলছেন মাসিক মসোহারা।যার ফলে অব্যাহত রয়েছে অবৈধ মাটির ব্যবসা,কিছু কিছু এলাকায় অভিযান হলেও মিঠুর আশীর্বাদ যে এলাকায় রয়েছে সে এলাকায় চোখে পড়ার মতো কোন অভিযান হয়নি। জাইকার ট্রেনিং এর নামে টাকা উত্তোলন করে নিজের পকেটে রেখেই নাম মাত্র ট্রেনিং দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। সম্প্রতি কৃষি জমি থেকে ইটভাটার মালিকরা মাঠি নিতে তাকে ম্যানেজ করতে হয়েছে, মিঠু ম্যানেজ হলেই যেন সব ম্যানেজ।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনও কে ভুল বুঝিয়ে চালাক মিঠু দুই হাতে কামাচ্ছে টাকা।
সরকারী বিভিন্ন কাজ তিনি নিজের হাতে করছেন, ব্যবসা করছেন ইট বালু পাথরের।সরকারী কোয়ার্টারের বিলগুলো উত্তোলন করছে, নামমাত্র কিছু টাকা জমা দেখিয়ে নিজের পকেট ভরি করছেন তিনি, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রংয়ের কাজ আসবাবপত্র কিনাসহ সবই করছেন নিজ হাতে। দরদাম নিজের মত করে বিলভাউচার বানিয়ে স্বাক্ষর নিচ্ছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার।

ইউএনও কে ম্যানেজ করেই এগুলি করছেন মিঠু।সে মন মত টাকা না পেলে ইউএনও কে ম্যানেজ করে সেখানে পাঠিয়ে দেন ভ্রাম্যমান আদালত। মাঝে মধ্যে মিঠুও ভ্রাম্যমান আদালতের সাথে সেখানে উপস্থিত হন, তার পাওয়ার দেখান সেখানে! আসতে থাকে টাকা।

তিনি উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর হয়ে কিভাবে কোন ক্ষমতায় ইউএনও অফিসের কাজ করেন এ নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে চলছে তোলপাড়। সরকারী কর্মকর্তারা মিডিয়ার সামনে কথা বলতে রাজি নয়, কিন্তু বিশেষ কোন তদন্ত আসলে হয়তো কথা বলবেন তারা,গত কয়েক দিন যাবৎ কনক দেব মিঠুকে নিয়ে বাহুবলের সর্বত্র চলে তোলপাড়, লোকমুখে প্রচলিত হচ্ছে মিঠু তুমি কার-

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর