ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো আবেদন বা সরকারি অফিসে যেতে হবে না। সরকারের ৬৬ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। কিন্তু কে ভাতা পাবে, তা ঠিক করবেন না কোনো জনপ্রতিনিধি বা তথ্য সংগ্রহকারী।

পরিবারের আয়, জমি, ঘরের অবস্থা, শিক্ষাসহ প্রায় ৫০টি প্রশ্নের তথ্য বিশ্লেষণ করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে যোগ্যতা নির্ধারণ হবে। সরকারের দাবি, এতে রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ হবে।

গত ১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করে ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য কেন্দ্রীয় ডেটাবেজে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার লক্ষ্য সরকারের।

কে পাবে, কে বাদ পড়বে?
সব পরিবারকে ৫ শ্রেণিতে ভাগ করা হবে – অতি দরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। প্রথম ৩ শ্রেণির নারী প্রধানরা ভাতা পাবেন।

বিবিএসের PMT স্কোর পদ্ধতি অনুযায়ী ৮৬০ বা তার কম স্কোর পেলে নগদ সহায়তার জন্য যোগ্য বলে ধরা হবে। তবে পরিবারে সরকারি চাকরিজীবী, ৫ লাখের বেশি সঞ্চয়, গাড়ি বা বড় ব্যবসা থাকলে স্কোর কম হলেও বাদ পড়তে পারেন।

ভুল হলে অভিযোগ কোথায়?
কেউ বাদ পড়লে ইউনিয়ন পরিষদের সেবাকেন্দ্রে বা অনলাইনে অভিযোগ দিতে পারবেন। উপজেলা পর্যায়ে ১৫ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি হবে। সন্তুষ্ট না হলে জেলায় ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে। এছাড়া তালিকা প্রকাশের পর গণশুনানিতেও আপত্তি জানানো যাবে।

সরকার জানিয়েছে, তথ্য সুরক্ষায় এনক্রিপশন ও অডিট ব্যবস্থা থাকবে। এই কার্ড শুধু ভাতা নয়, নারীর আর্থিক ক্ষমতায়নের জন্যও কাজ করবে।

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *