সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ২৬তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান সম্প্রতি ফিনল্যান্ডের হামিনায় অবস্থিত বিশ্বখ্যাত গুগল ডেটা সেন্টারে ‘LPP7A’ প্রকল্পের অধীনে জেনারেল অপারেটিভ (ইলেকট্রিক্যাল) পদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। পেশাগত এ সাফল্যের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে ফিনল্যান্ডেই একটি মাস্টার অব সায়েন্স (এমএসসি) প্রোগ্রামের শেষ সেমিস্টারে অধ্যয়ন করছেন।

মো. মোস্তাফিজুর রহমানের এ আন্তর্জাতিক অর্জনে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, মোস্তাফিজুরের নিষ্ঠা, অনন্য কারিগরি দক্ষতা ও উদ্ভাবনী মানসিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি এই মেধাবী শিক্ষার্থীর উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

শিক্ষার্থী ও অ্যালুমনাইদের এমন বৈশ্বিক পদচারণাকে কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে না দেখে ইইই বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও সঠিক দিকনির্দেশনার উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বিভাগের প্রধান হিসেবে মো. নিয়াজ মোরশেদুল হক যোগদানের পর থেকেই শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি অ্যালুমনাই ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিবিড় ও সুদৃঢ় সম্পর্ক স্থাপনে দূরদর্শী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নেওয়া বিশেষ উদ্যোগে গড়ে ওঠা সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের চমৎকার নেটওয়ার্ক আজ শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনছে। এ নিবিড় যোগাযোগের ফলে বর্তমান শিক্ষার্থীরা সরাসরি ইন্ডাস্ট্রি বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কর্মরত সাবেক সিনিয়রদের কাছ থেকে বৈশ্বিক জব মার্কেট, উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ার গাইডলাইন এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন। একই সঙ্গে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোতে অ্যালুমনাইদের শক্ত অবস্থান তৈরি হওয়ায় বর্তমানদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গঠন, রেফারেল সুবিধা এবং স্কলারশিপ অর্জনের পথ সুগম হচ্ছে। মোস্তাফিজুর রহমানের মতো অ্যালুমনাইদের বৈশ্বিক সাফল্য বর্তমান শিক্ষার্থীদের মাঝে বড় স্বপ্ন দেখা এবং তা বাস্তবায়নের আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে।

মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষক ও প্রকৌশলী গড়ে তুলতে ইইই বিভাগীয় প্রধানের নিরলস কর্মপ্রচেষ্টা ও সমন্বিত উদ্যোগ বিভাগটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে, যা আগামী দিনে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্যও বিশ্বজয়ের প্রেরণা হয়ে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *