সংবাদ শিরোনাম ::
ওসমানীনগরে নিজেদের দখলবাজী-সন্ত্রাসী কর্মকান্ড আড়াল করতে প্রবাসী কামাল বিরুদ্ধে অপপ্রচার বাহুবলে আলোচিত কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী হাবিবুর সিলেট থেকে গ্রেফতার হবিগঞ্জে নদীর চোরাবালিতে আটকা পড়ে ২ ছাত্রের করুন মৃত্যু বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব লাখাইয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ চেয়ারম্যান ও ইউএনওর সাথে বাহুবল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ দোয়ারাবাজারে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিছ আলীর ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হবিগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত বাহুবল প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন নবীগঞ্জে দুটি ইউনিয়নে ১৩ টি স্কুলে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের মধ্যে রান্না করা খাবার প্রদান

হবিগঞ্জে একসঙ্গে ৩ সন্তান জন্ম দিয়ে এক সন্তানসহ মায়ের মৃত্যু

  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

মঈন উদ্দিন আহমেদ, হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের বানিয়াচং একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দেওয়ার দুই দিন পর এক নবজাতকসহ মা মারা গেছেন। অন্য দুই নবজাতককে সিলেটের মা ও শিশু হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

পলি রানি দেব নামে ওই নারী রবিবার (৫ জুন) ভোরে সিলেটের রাগিব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। পলি রানি দেব বানিয়াচং উপজেলার যাত্রাপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং উপজেলা প্রাণিদসম্পদ অধিদপ্তরের অফিস সহকারী দীপক রঞ্জন দেবের স্ত্রী।

পলির স্বজনরা জানান, তাকে গত বৃহস্পতিবার সিলেটের মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরদিন শুক্রবার ডা. নমিতা রানি সিনহার মাধ্যমে সিজারিয়ান অপারেশনে তার তিন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। পরে সেলাই করা স্থান থেকে রক্ত বের হতে থাকলে পুনরায় অপারেশন করা হয়। তখন থেকে পলির শারীরিক অবস্থার অবণতি হতে থাকে।

শনিবার (৪ জুন) বিকেলে সেখান থেকে রাগিব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনে তাকে ভর্তি করা হয়। রবিবার (৫ জুন) ভোর ৫টার দিকে মারা যান তিনি।
এর আগে, জন্ম নেওয়া তিনটি কন্যা সন্তানের মধ্যে একজন মারা যায়। অন্য দুইজন এখনও মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছে।

মৃতের স্বামী দীপক রঞ্জন দেব জানান, পলি আগে থেকে লিভার ও কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। সিজারিয়ান আপারেশনের পর থেকেই তিনি সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছিলেন না।
রোগীর সঙ্গে থাকা জহিরুল ইসলাম মোহন নামে তাদের এক স্বজন জানান, মা ও শিশু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ টাকা বিল নিয়েছে। প্রতিটি নবজাতকের জন্য প্রতি ১২ ঘণ্টায় আরও ১২ হাজার করে নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর