সংবাদ শিরোনাম ::
চা-শ্রমিকদের নিকট গ্রহণযোগ্য যৌক্তিক মজুরি নির্ধারণের আহবান টিআইবির নেতারা শ্রমিকদের ঠকিয়ে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন-বিজয় বুনার্জি ১৫ আগষ্টে কোম্পানীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল জাতীয় শোক দিবসে ইউপিতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে গুরুতর আহত ১ চিকিৎসাধীন আজমিরীগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৩১৬ পরিবারের মাঝে মুসলিম এইড ও এসেড’র নগদ অর্থ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ ৩শ’ টাকা মজুরীর দাবী হবিগঞ্জের ২৫ চা বাগানে অনির্দিষ্টকালের শ্রমিক ধর্মঘট শুরু ॥ মহাসড়কে এসে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন চা শ্রমিকদের লাখাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অপহরণ মামলায়সীমান্তে চেয়ারম্যান পুত্র গ্রেফতার নবীগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৫ সদস্য গ্রেফতার

বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

  • আপডেট সময় শনিবার, ২ জুলাই, ২০২২
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:বাহুবল উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে উ’কোচ গ্রহন, স্বেচ্ছাচারিতা, প্রকল্পের বিল পাশে অর্থদাবীসহ নানা অভিযোগে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছে উপজেলার ৭ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিভাগীয়

কমিশনার বরাবরে গত ২৮ জুন একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বাহুবল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন, ১নং স্নানঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তোফাজ্জল হক, ২নং পুটিজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুদ্দত আলী, ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রেজ্জাক, ৪নং বাহুবল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী ৫নং লামাতাসি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকম উস্তার মিয়া তালুকদার, ৬নং মিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শামীম ও ৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সাক্ষরিত অনাস্থ প্রস্তাবে উল্লেখ্য করা হয়-

১. এডিপির বরাদ্দ দিয়ে সুপেয় পানি সরবরাহের জন্যসকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন গভীর নলকূপের প্রস্তাব দিলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য অগভীর নলকূপ বসানোর সিদ্ধান্ত নেন।

২. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উন্নয়নের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানগন এডিপির প্রকল্প হতে তাত শিল্পের প্রশিক্ষন যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং প্রশিক্ষন প্রকল্প প্রস্তাব দিলে তিনি সবার মতামত উপেক্ষা করেন এবং হীন স্বার্থে সেলাই মেশিন সরবরাহ করার প্রস্তাব দেন।

৩. তার নিজ এলাকায় বিশ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহন করলে ঠিকাদার কাজ শুরু করলে তিনি বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান করেন এবং তার ছেলের মাধ্যমে ঠিকাদারের নিকট দুই লাখ টাকা উৎকোচ দাবী করেন। টাকা না দিলে তনি বিলে সাক্ষর করবেন না বলে জানান।

৪. উপজেলা সাধারণ সভা ও আইনশৃংখলা সভায় তিনি প্রায় সমই বিভিন্ন অজুহাতে সদস্যদের সাথে উচ্চস্বরে কথা এবং ব্যক্তিগত কথার মাধ্যমে আক্রমন করেন।

৫. উপজেলা পরিষদের এডিপির প্রকল্পসহ কোন বরাদ্দ আসলে তিনি সভাপতির ক্ষমতা বলে সমস্ত প্রকল্প নিজে নেন ও কমিটির সদস্যদের সাথে কোন আলাপ আলোচনা করেন না।

৬. বিভিন্ন সরকারী সভায় তিনি সরকার কর্তৃক প্রদেয় অনুশাসন না মেনে উস্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং তার আচরন ও অপ্রাসঙ্গীক কার্যাকলাপের জন্য উপজেলা পরিষদ কার্যাকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

৭. ইতিপূর্বেও তিনি স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে এডিপির অর্থের অপ-ব্যবহার করেছেন এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়াও উপজেলা পরিষদের প্রকল্প অনুমোদনে স্বেচ্ছাচারিতা, সদস্যদের মতামত গ্রহন না করা, প্রকল্পের বিল পাশে অর্থদাবী ও ইউনিয়ন পরিষদের নামে আসা বিভিন্ন সরকারী বরাদ্দ ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সদস্যদের সাথে খারাপ আচরনের অভিযোগ আনা হয়।

অনাস্থার অনুলিপি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর