সংবাদ শিরোনাম ::
জুড়ীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা বিনয় ব্যানার্জীকে গণসংবর্ধনা সিলেটে জালালাবাদ লিভার ট্রাস্টের উদ্যোগে লিভার সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গল এসোসিয়েশন অব ভলান্টারি এফোর্টস (সেভ) এর উদ্যোগে নতুন বস্ত্র ও হুইল চেয়ার বিতরণ জুড়ীতে মুজিববর্ষে চা শ্রমিকদের ফ্রি বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে পিডিবির অনিয়ম শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্ম দিন : মিরপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের বৃক্ষ রোপন যুক্তরাজ্য আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বন্যার্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ মধ্যনগরে গুমাই নদীতে অবৈধ ড্রেজার, হুমকিতে ফসলি জমি বাহুবলে মীনা দিবসের ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ ॥ নামকাওয়াস্তে পালন জুড়ীর মাসুক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি তাহিরপুরে বিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ

আমাদের সময় ও আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  • আপডেট সময় বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

আমাদের সময় ও আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২ আগস্ট ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় ‘সালাউদ্দিনের হাতে আলাদিনের চেরাগ’ ও হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় ‘মাধবপুরে দলিল লিখক সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ’ শীর্ষক দুটি সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে এই মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় আমি হতবাক হয়েছি। কল্পকাহিনী দিয়ে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা থেকে সংবাদটি সৃজন করায় জনমনে বিভ্রান্তি দেখা দেয়ায় আমি পাঠকদের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে চাই।
মাধবপুর তথা হবিগঞ্জের অনেকেই অবগত আছেন আমি শুধুমাত্র দলিল লেখক নই। আমার এলাকায় আমি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে যুব সমাজের কাছে উদাহরণ সৃষ্টি করেছি। পৈত্রিক সম্পত্তির পাশাপাশি অনেক জমি ও পুকুর ইজারা নিয়ে মৎস্য খামার প্রতিষ্ঠা, কৃষি খামার প্রতিষ্ঠাসহ ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে নিজেকে স্বচ্ছল ব্যক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছি। পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই। এই মনোভাবে আমি দিনরাত পরিশ্রম করছি। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি না দিয়ে বরং আমি সরকারকে যথাযথ কর দিয়ে এবং ধর্মীয় বিধি বিধান মেনে যাকাত দিয়ে আমি আমার সম্পদকে পরিশুদ্ধ করেছি। আমার আয়কর ফাইলের বাহিরে কোন অদৃশ্য সম্পদ নেই। আমার পরিশ্রমের টাকায় বিল্ডিং তৈরি করেছি। পুরো টাকা যোগাড় করতে না পেরে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক থেকে বিল্ডিং নির্মাণের জন্য ৪০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি। আমার স্বচ্ছলতা, সফলতা এবং স্বচ্ছতা থাকায় ব্যবসার উন্নতির জন্য আল আরাফ ইসলামী ব্যাংক আমাকে ২২ লাখ টাকা সিসি ঋণ দিয়েছে। এই ঋণের টাকা এবং আমার ব্যক্তিগত পূঁজি দিয়েই আমার ব্যবসা পরিচালনা করে সফলতা অর্জন করেছি। আমি সত্য ও ন্যায়ের সাথে থাকি এবং অন্যায়কে মেনে নেই না বলেই জেলা রেজিস্ট্রার এবং সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও অভিযোগ দিতে কখনও ভয় পাইনি। আমি একমাত্র আল্লাহকে ভয় পাই।
কথিত সংবাদে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি এবং আমার বিরুদ্ধে যে ফৌজদারী মামলা দায়েরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। সাবরেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারে বিরুদ্ধে আমি যে মামলা দায়ের করেছি তা খারিজ করেছে বলে উল্লেখ করা হলেও আমি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিভিশন দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি সেই তথ্যটি প্রদান না করে আংশিক ও বিকৃত তথ্য প্রদান করা হয়েছে। কথিত সংবাদে হরিতলা গ্রামের সমছু মিয়ার ছেলে জামাল মিয়ার ১৯৭ শতক জমি বিক্রির টাকা আত্মসাতের যে ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যা। সামছু মিয়া নিজেই তার নামের ১৯৭ জমি প্যারাগন কোম্পানীর নিকট বিক্রি করে সমুদয় টাকা বুঝে নিয়েছে। আমি শুধু সেই দলিলটি সম্পাদন করেছি। আর সংবাদে জামাল মিয়াকে আমি মৌলভীবাজারের হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন স্থানের মামলায় জড়ানোর তথ্যটিও সঠিক নয়। আমার মৌলভীবাজারের সাথে কোন যোগাযোগই নেই। জামাল মিয়ার অপরাধের কারণে হয়তাবা সে মামলার আসামী হয়েছে। তাতে আমার কোন ভূমিকা নেই বা আমি তা অবগতও নই।
সংবাদে আমার নেতৃত্বে যে সিন্ডিকেটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা শুধু হাস্যকরই নয় বরং সরকারের সুশাসনের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা সংবাদ এক ধরনের অপপ্রচারও গুজব বলেই আমি মনে করি। সংবাদে শিবজয় নগর গ্রামের রহিমা খাতুনের যে অভিযোগের কথা বলা হয়েছে সেটিতেও আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই এবং আমি কোন আম মোক্তার নামা সম্পাদন করিনি। সেই অভিযোগে যে জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা নিয়ে তাদের বিরোধ কপারটেক কোম্পানীর সাথে, আমার সাথে নয়। আমি কথিত রহিমা খাতুনকে চিনি না বা কোনদিন দেখিওনি। সার্বিকভাবে সম্পূর্ণ কল্পনা প্রসূত মিথ্যা ও তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে কিভাবে পরিশ্রম করে তিল তিল করে গড়ে উঠা একজন মানুষের জীবন দুর্বিসহ করে তুলতে পারে তার বাস্তব উদাহরণ এই সংবাদ। সংবাদে বর্ণিত সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত আই.আর.ও আমি সালাহউদ্দিনের নিকট হইতে কখনো কোনো রাজস্ব আদায় করেনি এবং সালাহউদ্দিন সরকারি কোনো রাজস্ব কখনো ফাঁকি দেয়নি।
আমি সালাহউদ্দিন দলিল লেখক হিসেবে যে কয়দিন কাজ করেছি অত্যন্ত সুনামের সহিত কাজ করেছি। মাধবপুর উপজেলায় স্থাপিত বাদশা কোম্পানি, পাইওনিয়ার ডেনিম লিঃ, আকিজ কোং, স্টার সিরামিক্স, টি.কে কোম্পানি, প্যারাগণ, কপারটেক কোম্পানিসহ প্রায় ১১টি কোম্পানির দলিল এককভাবে করেছি। আমার সততা এবং নিষ্টার জন্যই কোম্পানীগুলো আমাকে কাজ দিয়েছে। আর এতেই অনেকের গাত্রদাহ হয়েছে। অনেকেই আমার কাছে যোগাযোগ করে অনৈতিক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েই কল্পকাহিনী সাজিয়ে মিথ্যা সংবাদ সৃজন করেছেন। আমি একজন স্বনামধন্য দলিল লেখক হিসেবে কাজ করে স্বেচ্ছায় দলিল লেখার পেশা বাদ দিয়ে আইনশাস্ত্রে অধ্যয়ন করার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসাবে সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমি এই মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং পরিশ্রম ও মেধা দিয়ে একজন মানুষের এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাকে শিকলপড়ানোর অপচেষ্টার নিন্দা জানাই।
সালাহউদ্দিন
খড়কী, মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর