হরমুজ প্রণালিতে লারাক দ্বীপের দক্ষিণে সোমবার (২৫ মে) ইরানি নৌযান লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এতে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার বরাতে মিডল ইস্ট আই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ফার্স নিউজ জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে মোট হতাহতের সংখ্যা স্পষ্ট করা যায়নি।

এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দক্ষিণ ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটলো।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে ইরানে হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। সেন্টকম বলেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি এবং সমুদ্রপথে মাইন পুঁতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত স্পিডবোটগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনী হামলা চালিয়েছে।

চলমান যুদ্ধবিরতির নীতি বজায় রাখা হয়েছে উল্লেখ করে সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে মার্কিন বাহিনী প্রতিরোধ জারি রেখেছে।

ওয়াশিংটনের দাবি, ‘আত্মরক্ষা’ এবং ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে নিজেদের সেনাদের নিরাপত্তার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

 

রয়টার্স বলছে, এই হামলা এমন সময়ে হলো যখন কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছিল।

 

ওই বৈঠকে অংশ নেন ইরানের শীর্ষ আলোচক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী। আলোচনায় মধ্যস্থতা করছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে ওয়াশিংটন এখনো কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা রাখতে চায় বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে ‘অন্য ব্যবস্থা’ নেয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *