শিশু-কিশোরদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আসক্তি নিয়ন্ত্রণে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে নতুন আইন পাস করেছে গ্রিসের পার্লামেন্ট।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিসের ক্ষমতাসীন দল ‘নিউ ডেমোক্রেসি’র সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে পার্লামেন্টে বিলটি পাস হয়। তবে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া উত্তপ্ত বিতর্কের পর অন্য কোনো বিরোধী দল বিলটির পক্ষে ভোট দেয়নি। বিরোধী সমাজতান্ত্রিক দল ‘পাসক’ ১৩ বছরের কম বয়সীদের নিষিদ্ধ এবং ১৩ ও ১৪ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে অভিভাবক নিয়ন্ত্রণের বিকল্প প্রস্তাব দিয়ে শেষ পর্যন্ত ভোটদানে বিরত থাকে।
নতুন এই আইনটি ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। আইনের আওতায় প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা চালু করতে হবে; ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
এর আগে গত এপ্রিলে টিকটকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মিটসোটাকিস এ পদক্ষেপকে ‘কঠিন, কিন্তু প্রয়োজনীয়’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, ডেনমার্ক ও অস্ট্রিয়াসহ বিশ্বের প্রায় ২০টি দেশের তালিকায় এবার যুক্ত হলো গ্রিস, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কদের স্ক্রিনটাইম কমানো ও মানসিক সুরক্ষায় এ ধরনের কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে। তবে সমালোচকরা এই নিষেধাজ্ঞার প্রযুক্তিগত কার্যকারিতা ও বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
