হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা তপুকে আটককরে থানায় নিয়ে আাসর পর হাজতে ভিডিও ধারন করায় দায়িত্বে অবহেলা করার অভিযোগে দারোগাসহ দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেই সাথে পুলিশের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারন করা যুবক জুয়েল মিয়া (২৪)কে আটক করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আবুল হোসেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে নবীগঞ্জ থানার এস আই আসিফের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উমরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতা শাহ তপুকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। সে উমরপুর শাহ ফিরোজ মিয়ার ছেলে ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি।
গ্রেফতারের পর থানার হাজতে থাকা অবস্থায় শাহ তপুর ‘জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। হাজতের মতো স্পর্শকাতর স্থানে কীভাবে ভিডিও ধারণ করা হলো, তা নিয়ে পুলিশের ভূমিকা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ ঘটনার পর থানায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শুক্রবার রাতে পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ থানার এসআই মেহেদী হাসান ও এক নারী কসন্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন।
অপরদিকে অণুমতি ছাড়্রা ভিডিও ধারনের অভিযোগে তপুর কনিষ্ঠ সহযোগি একই গ্রামের শাহ শুকুর আলীর ছেলে শাহ জুয়েল মিয়া (২৪) কে আটক করেছে পুলিশ।
ওসি আবুল হোসেন আরো জানান, শাহ জুয়েল গ্রেফতারকৃত তপুকে পানি খাওয়ানোর কথা বলে গিয়ে হাজতে ভিডিও ধারন করে ভাইরাল করে দেয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জুয়েলকে আটক করা হয়েছে আটক দুইজনকে আজ আদালতে প্রেরণ করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে আইনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
