যশোরের বেনাপোল বাজারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা সোয়া ১টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এক বিবৃতিতে এনসিপি জানিয়েছে, বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তাঁদের দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন। তবে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হকসহ দলের অন্যান্য নেতা নিরাপদে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জানান, যশোরের বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে পুশ-ইন চেষ্টার প্রতিবাদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে বুধবার দুপুরে তাঁরা সীমান্ত পরিদর্শন করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সাদিপুর পরিদর্শন শেষে গাড়িতে ওঠার সময় কিছু যুবক গাড়িতে ডিম নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়।

পরে দুটি গাড়িতে করে তাঁরা বেনাপোল বাজারে পৌঁছালে স্থানীয় বিএনপি নেতারা হামলা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে ফেসবুকে একটি কাচভাঙা গাড়ির জানালার ছবি পোস্ট দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘সীমান্তে আমাদের আগমনের খবর পাওয়ার পর গত রাতে যেসব পরিবারকে জোরপূর্বক পুশ-ইন করা হয়েছিল, তাদের ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। পরিস্থিতি সম্পর্কে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করেছি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ফেরার পথে আমাদের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ৪ জন আহত। তবে বাকিরা আল্লাহর রহমতে নিরাপদ আছি। সীমান্তে মানবিক মর্যাদা, নাগরিক অধিকার এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে আমাদের অবস্থান অবিচল থাকবে।’

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এ ধরনের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল) আরিফ হোসেন বলেন, ‘এনসিপি নেতার বহরে হামলা ও আহত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং নির্বিঘ্নে তাঁদের কর্মসূচি পালন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা সহায়তা দেওয়া হয়।’

বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ‘পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। স্বাভাবিক পরিবেশেই এনসিপির কর্মসূচি শেষ হয়েছে। এ ধরনের কোনো হামলা ঘটেনি। এনসিপি নেতাদের অভিযোগ মিথ্যা।’

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৩৯
  • ১১:৫৪
  • ৪:২৯
  • ৬:৪০
  • ৮:০৫
  • ৫:০৪