প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি ব্রাজিল

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের সবচেয়ে বড় ম্যাচ। দুই দলে তারকার ছড়াছড়ি। প্রত্যাশা ছিল অসাধারণ এক ম্যাচের। তবে বাস্তবে দর্শকদের কি উপহার দিল ব্রাজিল- মরক্কো ম্যাচ? দুই গোল আর কিছু আক্রমণ- পাল্টা আক্রমণ ছাড়া অতিমানবীয় কিছু দেখা যায়নি আজ ভোরের ম্যাচে। ব্রাজিল বলেই প্রত্যাশা বেশি ছিল। বিশ্বকাপে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন তাঁরা। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে একবারও বাছাইপর্বে আটকা পড়েনি সেলেসাওরা। ১৯৩৪ বিশ্বকাপের পর নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে কখনো হারেনি ব্রাজিল। এতসব কীর্তি যাদের নামের পাশে সেই দল কি খেললো! ম্যাচ শেষে এমন আলোচনা এখন সর্বত্র। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট ম্যাচে মরক্কোর আধিপত্য। এই সময়ে ব্রাজিল একেবারেই এলোমেলো ছিল, সুযোগে আশরাফ হাকিমির দল অন্তত সাতটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছে। যার একটি থেকেও গোল পায়নি মরক্কো। এরপর ব্রাজিলও ফিরে আসে খেলায়, তবে ব্রাজিলের মতো করে নয়! বল দখলে নিয়েছে, হারিয়েছেও সহজে। তারপরও স্রোতের বিপরীতে হঠাৎ এক আক্রমণে ভিনিসিয়িস জুনিয়রের গোল, ব্রাজিল ১- মরক্কো ১। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ব্রাজিলেরই আধিপত্য ছিল। গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল কয়েকটি। কিন্তু এই আধিপত্য ব্রাজিলের সঙ্গে যায় না। ব্রাজিল মানে ফুটবল আকাশের এমন এক তারা, যার খেলায় মানুষ ছন্দ খুঁজে, দেখতে চায় গতি, ড্রিবলিং, ফ্রি-কিকের অতিমানবীয় কিছু। সেসবের কিছুই ছিল না মরক্কো ম্যাচে। দল ভালো কিছু করতে না পারলেও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জন্য মরক্কো ম্যাচটা স্মরণীয় হয়ে থাকলো। কার্লো আনচেলত্তির প্রধান অস্ত্র আজ ব্রাজিলের জার্সি গায়ে খেললেন নিজের ৫০তম ম্যাচ। হাফ সেঞ্চুরির ম্যাচটাতে দারুণ এক গোল! ২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুটা স্মরণীয় করে রাখলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ব্রাজিলের হয়ে সব মিলিয়ে ভিনির গোল এখন ১০টি, যার তিনটিই এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। অবশ্য ভিনিসিয়িস জুনিয়র গোল করেছেন এমন ম্যাচে এই প্রথম জিততে ব্যর্থ ব্রাজিল! এদিকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একমাত্র দল হিসেবে মরক্কোর শুরুর একাদশের সবার জন্মই বিদেশের মাটিতে। বিশ্বকাপে দক্ষিণ আমেরিকান কোন দলের বিপক্ষে এই প্রথম কোন পয়েন্ট পেল মরক্কো! এর আগে ১৯৭০ সালে পেরুর কাছে এবং ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে তাঁদের হার সমান ৩-০ গোলে। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপের ইতিহাসে মরক্কো মাত্র দ্বিতীয় দল, যারা ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটের মধ্যে ব্রাজিলের গোলমুখে ৫টি শট নিতে পেরেছে। এর আগে এই কীর্তি ছিল পর্তুগালের।

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৩৮
  • ১১:৫৬
  • ৪:৩২
  • ৬:৪৪
  • ৮:১০
  • ৫:০৪