নিউইয়র্কে আগামী ১৭ মে রোববার অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ ডে প্যারেড সফল করতে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায়ে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। গত ২০ এপ্রিল সোমবার প্যারেড আয়োজন কমিটির চেয়ারপারসন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীর কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্যারেডকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এবারের প্যারেডের অগ্রভাগে থাকবেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সম্মান জানানোর একটি প্রতীকী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হবে। পাশাপাশি যারা আগে এসে প্যারেডে অংশগ্রহণ করবেন, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সামনে স্থান দেওয়া হবে বলেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আয়োজকরা জানান, প্যারেডে বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রচার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। এ লক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কমিউনিটি সংগঠন এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ প্যারেড প্রতি বছরই ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন, ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক বর্ণিল উপস্থাপনা ঘটে এই আয়োজনে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন এতে অংশ নিয়ে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরে এবং প্রবাসে বাংলাদেশি ঐক্য ও গর্বের বার্তা পৌঁছে দেয়।
এবারও আয়োজকরা আশা করছেন, আগের বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আরও বৃহৎ পরিসরে এবং অধিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্যারেডটি অনুষ্ঠিত হবে। নিউইয়র্কের রাজপথে লাল-সবুজের জোয়ার তুলে প্রবাসে বাংলাদেশের গৌরব ও সংস্কৃতিকে নতুন করে তুলে ধরাই এবারের প্যারেডের মূল লক্ষ্য।
কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষকে এই প্যারেডে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্যারেড কমিটির  সদস্য সচিব ফাহাদ সোলায়মান, কো-চেয়ার ও বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন প্রিন্স আলম ও সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারোয়ার জনি, ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর ফেমড রকি এবং গ্র্যান্ড মার্শাল মো. আজিজ।
আগামী ১৭ মে রোববার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জ্যাকসন হাইটসের ৩৭ অ্যাভিনিউতে প্যারেড অনুষ্ঠিত হবে।প্যারেডের যৌথ আয়োজক জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (জেবিবিএ), হিউম্যানিটি এম্পাওয়ারমেন্ট রাইটস ও ইমিগ্র্যান্টস ইন্টারন্যাশনাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *