
সিলেটের বিশ্বনাথে একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানার গেইট ভাং চ ুর এবং রাস্তা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্বনাথ পৌরসভার জাহারগাঁও ও হরিকলস গ্রামবাসীর মধ্যে বুধবার (৩রা জুন) দুপুর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই গ্রামের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।
জানাগেছে, পৌরসভার জাহারগাঁও গ্রামে জানু খান জান্নাতিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে গ্রামের প্রবেশধারে প্রায় ৭/৮ মাস পূর্বে প্রতিষ্ঠানের নামে গেইট নির্মাণ করেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, আমেরিকা প্রবাসী তশিল খান। কিন্তু বুধবার হঠাৎ করে হরিকলস গ্রামের কিছু যুবক মিলিত হয়ে মাদ্রাসার গেইট ভেঙ্গে ফেলে। এতে দুই গ্রামের মধ্যে সং ঘ ষের্ র আংশঙ্কা দেখা দেয়া। এঘটনায় বিশ্বনাথ-জগন্নাপুর সড়কে দেখা দেয় দীর্ঘ যানজন। ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ও এলাকার মুরব্বীয়ানরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। বিষয়টি সুষ্ঠ সমাধানের লক্ষ্যে পশ্চিম চান্দশির কাপন গ্রামের প্রবীণ মুরব্বী, সালিশ ব্যক্তিত্ব গোলাব খান, ফারুক আহমদসহ এলাকার মুরব্বীয়ানদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি মি মাং সা র উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জাহারগাঁও গ্রামের মুরব্বী, যুক্তরাজ্য প্রবাসী হিরণ খান বলেন, প্রায় ৭/৮ মাস পূর্বে আমাদের গ্রামের সড়কে আমরা মাদ্রাসার নামে গেইট নির্মাণ করি। বুধবার সন্ধ্যায় হরিকলস গ্রামবাসী হঠাৎ করে আমাদের প্রতিষ্ঠানের গেইটটি ভেঙ্গে ফেলে। তিনি আরো বলেন, এই গেইট নিয়ে দ্মিমত থাকলে আমাদের জানানো উচিত ছিল। গেইট নির্মাণের সময় কেউ আমাদের বাঁধা দেননি। কিন্তু হঠাৎ করে আমাদের মাদ্রাসার গেইট কেন ভেঙ্গে দেয়া হল। আমরা দেশবাসী ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।
হরিকলস গ্রামের হাজী তালেব আলী ও মিনহাজ উদ্দিন বলেন, এই সড়কটি আমাদের গ্রামের। মৌজাও হরিকলস গ্রামের নামে। গেইট নির্মাণ করতে আমাদের অবহিত করতে হবে। কিন্তু তা না করে হঠাৎ করে সড়কের উপর একটি প্রতিষ্ঠানের নামে গেইট নির্মাণ করে। সেই সাইনবোর্ডে জাহারগাঁও নাম লেখা হয়েছে। যা অত্যান্ত দু:খজনক। আমরা গেইটটি ভেঙ্গে দিয়েছি। তারা বলেন, এলাকার মুরব্বীয়ানদের হস্তক্ষেপে সালীশে মিমাংসা করার উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা সুষ্ঠ বিচার দাবী করছি।
সালীশ ব্যক্তিত্ব গোলাব খান বলেন, আমরা দুই গ্রামের মুরব্বীয়ানদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি আগামী সোমবার সকাল ১০টায় সালিশ বৈঠকের ব্যবস্থা করেছি। ইনশাআল্লাহ বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।
থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, গেইট নির্মাণ নিয়ে দুই গ্রামবাসির মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংসার উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।