মালেক ইমতিয়াজ : ছোটদের সময়’ সম্পাদক মামুন সারওয়ার পাঠকপ্রিয় একজন শিশুসাহিত্যিক। তেমনি একজন সৃজনশীল সম্পাদকও বটে।৮৫/১ দ্বিতীয় তলা,পুরানা পল্টনে ছোটদের সময় অফিসে না গেলে হয়তো জানতামই না।ছোট্ট ছিমছাম একটি অফিস।শতভাগ গোছানো সবকিছু। এখান থেকে বের হয় ‘ছোটদের সময়’ অসাধারণ একটি শিশুতোষ ছোটকাগজ।শিল্পনৈপুণ্যে ভরপুর। দেখলেই হাতে নিতে ইচ্ছে করে।যেসব পরিবারে ছোট্টশিশুরা আছে তাঁদের বাসা-বাড়িতে ‘ছোটদের সময়’ রাখার জন্য আমি গুরুত্ব দিতে চাই।মোবাইল ফোনে আক্রান্ত পরিবারের শিশুদের জন্য অপরিহার্য একটি কাগজ ছোটদের সময়।দৃষ্টিনন্দন এই ম্যাগাজিনটি হাতে নিলে শিশুদের মনে বইপাঠে উৎসাহ যোগাবে বলে আমার ধারণা।গ্রাহক চাঁদার পরিমাণও খুব বেশি নয়।এইভাবে প্রকাশিত আরো অনেক শিশুকিশোর ম্যাগাজিন রয়েছে যা আমাদের শিশু-সন্তাদের হাতে তুলে দিতে হবে।
দো’দফায় সম্ভবত টোটাল ত্রিশ মিনিট থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট ছিলাম ‘ছোটদের সময়’ অফিসে।ছোটদের সময় প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে অনেক প্রিয় লেখকদের চমৎকার চমৎকার বই।ইচ্ছে ছিল কিছু বই কিনে নিয়ে আসব।কিন্তু বহণ করার অসুবিধে চিন্তা করে আপাতত কেনা হয়নি।ইনশাআল্লাহ আবার সুযোগ পাইলে অনেকগুলো বই কিনব বলে ইচ্ছে আছে।এখান থেকে প্রকাশিত আমার ছড়ার বইটিও ‘সুরমা নদীর ছড়া’ শিল্পনৈপুণ্যে ভরপুর ছিল।আলমারি ভর্তি এতো এতো বইয়ের মাঝে আমার বইটির কপি খুঁজছিলাম। দেখিনি!হয়তো অন্য কোথাও রাখা আছে।আমি দেখতে পাইনি।
পাঠকপ্রিয় কিম্বা জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক মামুন সারওয়ার ইতোমধ্যে সফল শিশুসাহিত্যিকের স্বীকৃতিপূর্ণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এওয়ার্ড পেয়েছেন।তাঁকে হার্দিক অভিনন্দন।
তাঁর সৃজনশীল সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘ছোটদে সময়’ কয়েকটি সংখ্যা গিফট করেছেন।তন্মধ্যে ‘সেরা ছোটদের সময় ২০২৫ ‘ বিশেষ এই সংখ্যাটি সমৃদ্ধ, অসাধারণ ও নান্দনিক মোড়কে প্রকাশিত হয়েছে।আমাদের শিশুদের হাতে বিশেষ এই সংখ্যাটি তুলে দেয়া দরকার।দেশের নবীন প্রবীন সেরা শিশুসাহিত্যিকরা এই সংখ্যায় লিখেছেন।গিফট আর লাল চা-বিস্কুট পরিবেশনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ উপস্হিত ছোটদের সময় অফিসের সবাইকে।