সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মুফতি আবুল হাসান বলেছেন, “আপনাদের দোয়া থাকলে জকিগঞ্জে একটি পরিবর্তন দেখতে পারবেন।” তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবন নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ করা হবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় জকিগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রী ইউনিয়নের সোনাপুর মাজহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় তাঁকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান চৌধুরী শিঙ্গাইরকুড়ীর সভাপতিত্বে এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থী গাউসুল আলমের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে মুফতি আবুল হাসান বলেন, আল্লাহর এক মকবুল ওলী, পীরে কামিল হযরত মাওলানা আব্দুল মান্নান চৌধুরী শিঙ্গাইরকুড়ী (রহ.)-এর মকবুল হাতে গড়া প্রাচীনতম এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ৭৫ বছর পূর্ণ করেছে। শৈশবে এই মহান বুজুর্গের সান্নিধ্যে তিনি ধন্য হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

মাদ্রাসাটি দীর্ঘ ৭৫ বছরেও কোনো অবকাঠামোগত উন্নয়নের ছোঁয়া না পাওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য বলেন, মাদ্রাসার জন্য একটি বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয়ে ইতোমধ্যে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসার অন্যান্য উন্নয়নেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে জকিগঞ্জ-কানাইঘাটের যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবন নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ করা হবে।

শেওলা-জকিগঞ্জ সড়কের সংস্কার প্রসঙ্গে মুফতি আবুল হাসান বলেন, শিগগিরই কাঙ্ক্ষিত সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করা হবে। তিনি বলেন, “আপনাদের দোয়া থাকলে জকিগঞ্জে একটি পরিবর্তন দেখতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সোনাপুর মাজহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কুতবুল আলম। মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিফজুর রহমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বীরশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, জকিগঞ্জ উপজেলা খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল মুসাব্বির, হাফিজ মজুমদার ট্রাস্টের সচিব শুভ্রকান্ত দাস চন্দন, সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আল মামুন কয়ছর এবং কাজী খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মুহিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সদস্য মো. আব্দুল বাছিত, মো. আব্দুল হালিম, মাসুক আহমদ, মাওলানা ফখর উদ্দিন, নজরুল ইসলাম রাসেল, মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা আসাদ উদ্দিন ফারুকী, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি হাজী আব্দুল জলিল, মুজাম্মিল হক মেম্বার, আব্দুল কাদির, আব্দুল মালিক, মাস্টার মুহিবুর রহমান, মো. আব্দুর রব, খায়রুল আলম, খেলাফত মজলিস নেতা খায়রুল ইসলাম, শেখ আলী হোসেন, হাফিজ মোস্তাক আহমদ ছাড়াও সাংবাদিক, শিক্ষকসহ এলাকার বিপুলসংখ্যক অভিভাবক ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *