সিলেট মহিলা কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল মুজিব বলেন, ক্ষুধার বিরুদ্ধে সংগ্রামে ডিএনবির এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ এলাকার যুবসমাজ চিরকালই উদ্যমী ও পরিশ্রমী। তরুণ সমাজ নিজের দায়িত্ব নিজে নিতে জানে। তাদের এমন উদ্যোগ সমাজের জন্য আশাব্যঞ্জক।
সিলেটে ক্ষুধার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে ডেব্যু অব নিউ বাংলাদেশ (ডিএনবি)-এর উদ্যোগে শুক্রবার সাপ্তাহিক লঙ্গরখানা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
বিশিষ্ট সংগঠক ও ব্যাংকার মো. রাহাত খান রাছির’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেলা ব্যবস্থাপক শরীফুল আলম, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সিলেট জেলা সভাপতি জিয়াউর রহমান খান এবং তরঙ্গ সমাজ কল্যাণ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মফিজুর রহমান বারেক।
ডিএনবির সদস্য সচিব মিনহাজ আহমদ হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক শেখ শাকাওয়াত আহমদ আকিব।
আরোও উপস্থিত ছিলেন তরঙ্গ সমাজ কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুল হাফিজ খান শামীম, উম্মুল কুরা একাডেমির পরিচালক আহমদুল হক উমামা এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী এ বি মজুমদার রনি।
এছাড়া প্রবাস থেকে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছাবাণী পাঠান ডিএনবির প্রতিষ্ঠাতা ইয়াসিন জামান রাজ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডিএনবির অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় পর্যায়ের হকি তারকা মারজান খান, ডিএনবির সদস্য আরমান খান, জায়শ গনি খান, আতিক, তালহা ও দেলোয়ারসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
সভাপতির বক্তব্যে মো. রাহাত খান রাছি বলেন, ‘মানবতার সেবায় একবেলা আহার একসাথে সবার’ —এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডিএনবি মানবতার পক্ষে এবং সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করে যাবে। ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।
ডিএনবির প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক শেখ শাকাওয়াত আহমদ আকিব বলেন, এই সাপ্তাহিক লঙ্গরখানা কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের অসহায় ও ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজ ও দেশে যেন কোনো মানুষ ক্ষুধার্ত না থাকে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা ডিএনবির এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।



