বড়লেখায় গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তাঁর ননদ চামেলী আক্তারকে (২৫) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতার চামেলী আক্তার বড়লেখা উপজেলার মুড়িরগুল গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর মেয়ে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চামেলীর অবস্থান শনাক্ত করার পর তাঁকে গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে বড়লেখা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল। টানা প্রায় ৪৮ ঘণ্টার অভিযান শেষে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাজধানীর বসিলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বড়লেখা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ কামরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আবদুল করিম। তাঁদের সঙ্গে পুলিশের একটি বিশেষ দল অংশ নেয়।
পুলিশ জানায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর মা রেনু বেগম বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় মামলা করেন। মামলায় মুন্নির স্বামী, শাশুড়ি, ননদ, ভাসুর ও জাসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের একপর্যায়ে মুন্নিকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকে পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিল পুলিশ।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান খান শনিবার দুপুরে চামেলী আক্তারকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করার পর পুলিশের বিশেষ দল প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। শনিবার সকালে তাঁকে বড়লেখা থানায় আনা হয়।
ওসি আরও জানান, মামলার ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতার আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



