মৌলভীবাজারের জুড়ীতে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর এক আওয়ামী লীগ নেতাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। গত রোববার (২৮ জুলাই) স্থানীয় একটি সড়ক থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির নাম মো. ইশ্রাব আলী (৬২)। তিনি জুড়ী উপজেলার শাহাপুর এলাকার কালীনগর গ্রামের ছাত্তার আলীর ছেলে। তিনি জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সোমবার (২২ জুলাই) ইশ্রাব আলী নিখোঁজ হন। পরদিন মঙ্গলবার তাঁর স্বজন সুলতানা বেগম জুড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর গত রোববার (২৮ জুলাই) পথচারীরা তাঁকে একটি সড়কের পাশে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিকটস্থ একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে ইশ্রাব আলীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

ইশ্রাব আলীর ছেলের অভিযোগ, তাঁর বাবা ও ভগ্নিপতির সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতা এবং তৎকালীন সংসদ সদস্যের ভাতিজা আবদুল কাইয়ুমের রাজনৈতিক বিরোধ ছিল। তাঁর দাবি, চলিত বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে আবদুল কাইয়ুম তাঁর বাবার ওপর হামলা করেন এবং ভগ্নিপতিকে নির্যাতন করেন। ওই ঘটনায় তাঁর বাবাকে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল এবং বর্তমানে রোগী আশংকাজনক অবস্থায় এবং বিশেষ সুরক্ষায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। রোগীর এখনো পরিপূর্ণ জ্ঞান না ফেরায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ইশ্রাব আলীর ছেলে আরও অভিযোগ করেন, তৎকালীন অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও অভিযুক্ত ব্যক্তির রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশ এ ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ বিষয়ে জুড়ী থানায় যোগাযোগ করা হলে ইশ্রাব আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় করা জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তবে তাঁর ওপর হামলার অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে আবদুল কাইয়ুমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৬
  • ১১:৫০
  • ৪:১১
  • ৫:৫৭
  • ৭:১০
  • ৫:৪০