
মিরপুরে চতুর্থ দিনের শেষটা হলো ঠিক যেন অপূর্ণ এক গল্পের মতো। দুই দলের লড়াইয়ের মাঝে বৃষ্টি হানা দিয়েই মূলত কেড়ে নিল ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য। সেই সাথে ড্র হওয়ার আশঙ্কাও উঁকি দিয়ে গেল।
তৃতীয় দিন শেষে সাত রান নিয়ে শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে আবারও ওপেনারদের ব্যর্থতা ভয় ধরিয়ে দেয়। বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিতে পারবে তো বাংলাদেশ? এমন শঙ্কা যখন জাগল, তখনই ত্রাতার ভূমিকায় মুমিনুল হক এবং নাজমুল হোসেন শান্ত। ইনিংস গড়ার কাজটা নিপুণ দক্ষতায় করতে থাকেন তারা।
লাঞ্চের বিরতিতে যাওয়ার আগে আর কোনো বিপদ ঘটেনি। তবে এরপরই শুরু হয় বৃষ্টির বাগড়া। দ্বিতীয় সেশন ভাসিয়ে নিয়ে যায় বৃষ্টি। এরপর দিনের শেষ ভাগে খেলা যখন শুরু হলো, তখন ফিফটির পর মুমিনুল বিদায় বলে দেন। তবে মুশফিক আর শান্ত মিলেই দিনশেষ করেন ১৫২ রানে। শান্ত অপরাজিত ৫৮ রানে। বাংলাদেশের লিডটাও এখন ১৭৯।
এখানেই এসেছে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—বাংলাদেশের পরিকল্পনা কী? উত্তরটা খুব সহজ, পঞ্চম দিনের সকালে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দ্রুত লিড ৩০০-এর আশেপাশে নিয়ে গিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলতে হবে। কেউ যদি দ্রুতগতির একটি ইনিংস খেলতে পারেন, তাহলে ম্যাচে ফলের সম্ভাবনা এখনও বেঁচে থাকবে।
তবে সব হিসাব-নিকাশের মাঝখানে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তার নাম এখন আবহাওয়া। আজ মিরপুরে প্রবল বৃষ্টিতে পুরো দ্বিতীয় সেশনই ভেসে গেছে। আগামীকালও আবহাওয়া যদি একই রকম থাকে, তাহলে এই টেস্টের ভাগ্যে ড্র প্রায় নিশ্চিত।