হবিগঞ্জে ভুয়া রশিদে চাঁদা উত্তোলন, আটক ৩

হবিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্র্রাসার নামে টাকা উত্তোলন করে হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন হাট বাজার ও যানবাহনে জনসাধারনের কাছ থেকে টাকা তুলছে। চক্রের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসার ইমাম-খতিব পরিচয় দিয়ে হোটেল ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বসবাস করছে। পরে তারা সারাদিন টাকা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

রোববার দুপুরে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজারে। এতিমখানা ও হাফেজি মাদ্রাসার নামে ভুয়া রশিদ তৈরি করে চাঁদা তোলার সময় তিন ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমেদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় তাদের আরও ৩ সহযোগি পালিয়ে যায়। যদিও বাহুবল থানা পুলিশ বিষয়টি অবগত নয় বলে জানায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার দুপুরে মিরপুর বাজারের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে একটি এতিমখানা ও হাফেজি মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে রশিদ বইয়ের মাধ্যমে চাঁদা সংগ্রহ করছিলেন ওই ব্যক্তিরা। তাদের আচরণ ও কাগজপত্রে সন্দেহ হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বিষয়টি মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমেদকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তারা প্রতিষ্ঠানের বৈধ কোনো কাগজপত্র কিংবা অনুমোদনের প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনজনকে আটক করা হয়। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও তিন ব্যক্তি পালিয়ে যান। তবে আটককৃত ব্যক্তিদের চেয়ারম্যান শামীম আহমেদের কাছে জিম্মায় রাখা হলেও পরে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কি-না জানা যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামিম আহমেদকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল  ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ অবগত নয়। কাউকে আটক করা হয়েছে এমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি বা এমন অভিযোগে পুলিশ কাউকে আটক করেনি’।

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৩৮
  • ১১:৫৬
  • ৪:৩২
  • ৬:৪৪
  • ৮:১০
  • ৫:০৪