
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন বর্তমান সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম,এথনিক ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটন বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা চাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি শুধু প্রদর্শিত হবে না,তা পর্যটনের সম্পদে রূপান্তরিত হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। আমরা মৌলভীবাজারসহ সিলেট বিভাগের পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে সরকার।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুলছড়া চা বাগানে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শ্রীমঙ্গল শুধু চায়ের রাজধানী নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঞ্চল। এখানে এবং এর আশপাশে প্রায় ২৬টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তাদের ভাষা,সংস্কৃতি, ঐতিহ্য,শিল্পকলা ও জীবনধারা বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ ও বর্ণিল করেছে।
তিনি বলেন হারমনি ফেস্টিভ্যাল শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, এটি সম্প্রীতি,সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। এবারের উৎসবে ২৬ টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অংশগ্রহণ করছে, যা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি অনন্য উপস্থাপনা।
তিনি আশা ব্যক্ত করেন, হারমনি ফেস্টিভ্যাল দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যকে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরবে এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা জানান, বর্ষাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসব স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে। উৎসবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর বৈচিত্র্যময় জীবনাচার, ঐতিহ্যবাহী পণ্য, লোকজ সংস্কৃতি, শৈল্পিক কারুকাজ এবং মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলা প্রমুখ। পরে নৃতাত্তিক জনগোষ্ঠীর মননোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।