জাবেদ আহমেদ: অসাধারণ এক বন্ধু প্রাক্তন সিনিয়র সাংবাদিক হাবিবুর রহমান (রুপম) এর সাথে ইউরোপের ৪টি দেশে ( ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স ও বেলজিয়াম) ৯ দিন কাটালাম। আমরা একসাথে ইউরোপের নানা দেশে হোটেল, স্বজন বন্ধুদের বাসাবাড়ি, বাসে, বাসস্ট্যান্ড, পার্কে বসে ঘুমিয়ে দিন রাত পার করে ইউরোপের নান্দনিক দর্শনীয় স্থানসমুহ ঘুরে ঘুরে দেখলাম। ইউরোপের রেল, বাস, মেট্রোরেল, সিটিবাস, ট্রাম, ট্যাক্সি, প্রাইভেট কার সবই চড়া হলো।
বিদায়ের ক্ষণে ইউরোপের কঠোর পার্কিং নিয়মের কারণে ঠিকমতো বিদায় নিয়েও আসতে পারলাম না। শেষদিনেও আমাকে নতুন করে আরও কী দেখানো যায়, ভালো কী খাওয়ানো যায় সে নিয়ে তাঁর ত্রস্ততার শেষ ছিলো না। ৯ বছর একসাথে দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকায় কাজ করেও নিজেদের বিষয়ে যতটুকু জানা ছিলো না, মাত্র ৯ দিনের ইউরোপ সফরে সব অজানা অতীত হলো জানা। কত শত স্মৃতির রোমন্থন হলো এ সফরে। আশির দশকে পত্রিকার সিনিয়র সহকর্মীর মতো আমাকে ইউরোপের নিয়ম কানুনসহ সবকিছু শিখালেেন। বিদায়ের দিন প্যারিস সিটিতে দু-দুবার পার্কিং করা গাড়ি হারিয়ে আমরা দুজন উদ্বিগ্ন ছিলাম লন্ডনগামি ট্রেন ধরতে পারবো কী না? শেষমেশ সবই হয়েছে ঠিকঠিক,মালামাল দ্রুত গাড়ি থেকে রেলস্টেশনে নামিয়ে পথ দেখিয়ে আসছি বলে হাবিব ভাই ছুটলেন গাড়ি পার্কিং করতে। বোর্ডিং, দুদফা ইমিগ্রেশন শেষে আমি ওঠলাম লন্ডনগামী ইউরো ট্রেনে। ট্রেনে ওঠে ওয়াইফাই সংযোগ পেয়ে ফোন করে প্রিয় হাবিব ভাই এর নিকট হতে মোবাইলে বিদায় নিতে পেরে কিছুটা স্বস্তি পেলাম। ভালো থাকো সবসময়ের সকলের প্রিয় হাবিব ভাই। ইনশাআল্লাহ নিশ্চয়ই আবার আমরা মিলিত এশিয়া, ইউরোপ বা অন্য কোন মহাদেশ সফরে।