বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন খাতের উদ্ভাবক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের একই প্ল্যাটফর্মে এনে একটি সমন্বিত উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) থেকে ১২টি উদ্ভাবনী প্রজেক্ট নির্বাচিত হয়েছে।

 

আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে এ জাতীয় মেলা। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের চতুর্থ তলার সম্মেলন কক্ষে মেলায় অংশগ্রহণকারী শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. খায়রুল ইসলাম।

 

মতবিনিময় সভায় ভাইস চ্যান্সেলর তরুণ উদ্ভাবকদের সাফল্য কামনা করে সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের সার্বিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদেরই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে চাই। তোমরা ইতোমধ্যেই দেখেছ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এক কিলোমিটার’ সড়কের কাজে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারে, সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “আমরা সাস্টকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। তরুণ গবেষক ও উদ্ভাবকদের অবশ্যই রাষ্ট্রের বাস্তব প্রয়োজন ও জাতীয় উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে গবেষণাকাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি এম রবিউল ইসলাম, কম্পিউটার ও তথ্য কেন্দ্রের পরিচালক এবং আইসিটি সেল-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শহীদুর রহমান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ রাব্বি এবং রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কালাম আহমদ চৌধুরী।

 

উল্লেখ্য, ‘Innovate to Market’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারের মূল লক্ষ্য হলো উদ্ভাবক, শিল্পখাত, একাডেমিয়া ও অন্যান্য অংশীজনকে একই ছাদের নিচে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে তরুণদের উদ্ভাবনী ধারণাকে সরাসরি বাজারমুখী করে তোলা এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কাজে লাগানোর লক্ষ্য রয়েছে।

 

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে অংশগ্রহণের জন্য শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোট ৪৯টি প্রজেক্ট জমা পড়ে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গঠিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ১২টি প্রজেক্ট নির্বাচন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *