সুনামগঞ্জের ছাতক পৌর শহরের বালিকা বিদ্যালয় রোডে সেই ২০০৭ সাল থেকে ১৯ বছর ধরে ছাতক – দোয়ারার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্য একঝাঁক তরুণ তরুণী ও বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক গণের নিরলস প্রচেষ্টা আর অধম্য পরিশ্রমে এবং নানা চড়াই উৎরাই ও ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে জাবা মেডিকেল সেন্টার নতুন আঙ্গিকে স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে আরও একধাপ এগিয়ে।
পুরনো প্রযুক্তির মেশিন বাদ দিয়ে নতুন প্রযুক্তির মেশিনারি স্থাপন করে সময় ও খরচ বাঁচাতে ডিজিটাল টেস্ট সমূহ ও ডিজিটাল এক্সরে পুরো হাসপাতাল ইন্টেরিয়র ডিজাইনে আধুনিক চিকিৎসা সেবায় কাজ করছে।
স্ত্রী রোগ ও প্রসূতি,চক্ষু রোগ, হাড় ও জোড়া, নাক কান গলা চিকিৎসা ও প্রতিদিন অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়। সার্জারী ও অর্থোপেডিক চিকিৎসক ডা. কুমার তিতাস দাস জানান একটা উপজেলা সদরে বিভাগীয় শহরের মানের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ‘জাবা মেডিকেল সেন্টার’ এখানে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি মানব কল্যাণের দিকটা বিবেচনা করা হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে রোগী দের সেবা দিতে পারেন।
‘জাবা মেডিকেল সেন্টারের’ সত্ত্বাধিকারী, জাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, জাবা কুরআনিক গার্ডেন ও জাবা নার্সিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম জানান জাবা মেডিকেল সেন্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন হাজারো মানুষের চিকিৎসা দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।
মানব কল্যাণের প্রত্যয় নিয়ে জাবা প্রতিষ্টা করেছিলাম। আগামীতে আরও এগিয়ে যাবে জাবা মেডিকেল সেন্টার।



