যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ের চলমান সামরিক হুমকিগুলো আপাতত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধেরই প্রতিফলন এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন এক বিশ্লেষক।
অস্ট্রিয়ার সাবেক সামরিক অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুশটাই আলজাজিরাকে বলেন, ‘আমি মনে করি না যে তার আরব প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ শুরু করার কোনো আগ্রহ ইরানের আছে, তেমনি আমি মনে করি না যে ইউরোপের কোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার কোনো আগ্রহ ইরানের আছে। তাই সব মিলিয়ে আমি বলব, উভয় পক্ষের বিবৃতিগুলো আপাতত তথ্যযুদ্ধের মতোই, এরপর বড় ধরনের সামরিক সংঘাত ঘটবে।’
তবে তার মতে, ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাত থেকে সহজে সরে আসবেন না বলেও মনে করেন তিনি।
পুস্তাই বলেন, কংগ্রেসের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যুদ্ধ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পর্যায় আসতে পারে। ওই নির্বাচনের ফল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কতটা স্বাধীনভাবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকবে, তা নির্ধারণ করবে। এর অর্থ এও হতে পারে যে, তিনি ইরানি প্রতিরোধকে পরাভূত করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করবেন।



