সিলেট বন্দরবাজারের ঘড়ি চত্বর নিয়ে সিলেটে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, আসলে কোনো রহস্য নেই, যেটা হচ্ছে সেটা হলো সিসিকের নতুন প্রজেক্ট। তাদের মতে, বন্দরবাজার পয়েন্টে যে পুরাতন গোল চত্বর আর ঘড়ি ছিল, সেটা অনেক পুরাতন হয়ে গেছে। স্থানটি যানজটেরও বড় কারণ। সিসিক প্রশাসক এখন পুরো নগরীর ট্রাফিক সিস্টেম ঢেলে সাজাচ্ছে।

আগের মতো বড় গোল চত্বর থাকবে না, ছোট করে আধুনিক রাউন্ডএবাউট হবে যাতে গাড়ি সহজে ঘুরতে পারে।

ঘড়িটা ভাঙা হচ্ছে না, সরানো হচ্ছে। অনেকে ভাবছে ঘড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে। না। ঘড়িটা খুলে রেখে নতুন চত্বরে আরও বড়, ডিজিটাল ও আধুনিক ঘড়ি বসানোর পরিকল্পনা আছে। আগের ঘড়িটা প্রায়ই নষ্ট থাকতো। এই কাজটা সিলেট মহানগরীর মাস্টারপ্ল্যানের অংশ। ঢাকায় গত কয়েকদিন আগে সিসিক প্রশাসক এটা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের মিটিংও করেছেন। বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, আম্বরখান প্রতিটি পয়েন্টেই এমন আধুনিকায়ন হবে।

গুজবের কারণ দুটো:

হঠাৎ ভাঙা শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ভেবেছেন এখানে অন্য কিছু হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ বলছে, চত্বর ভেঙে মার্কেট বা অন্য স্থাপনা হবে। সিসিক বলছে, এটা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা প্রশস্ত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। কাজ শেষ হলে বন্দরবাজারের জ্যাম অন্তত ৩০% কমবে বলে সিসিক আশা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *