সংবাদ শিরোনাম ::
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যানসহ চার নেতাকে আ’লীগ থেকে অব্যাহতি ইনাতগঞ্জে শালিস বৈঠকে পরিকল্পিত হামলা নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতিসহ ৫জন আহত লাখাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ চুনারুঘাট যুব এসোসিয়েশনের ঈদ পূর্ণমিলনী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ তাহিরপুরে প্লাবিত হয়ে প্রায় অর্ধশত গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন বাহুবল৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সভাপতি নির্বাচিত বশির বাহুবলে পুটিজুরী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগেরত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষনা মধ্যনগর থানার ওসি জাহিদুল হক দোয়ারাবাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

বাহুবল উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর মিঠুর রাজকীয় অফিস চেম্বার নিয়ে তোলপাড় প্রশ্ন

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

বাহুবল প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা পরিষদের বিতর্কিত কম্পিউটার অপারেটর কনক দেব মিঠুর পরিষদের দোতলায় অফিস চেম্বারটি রাজকীয় স্টাইলে সজ্জিত। মিঠু যে চেয়ার ব্যবহার করছে সেই চেয়ারটি ব্যবহার করতে পারে কিনা বা ব্যবহারের এখতিয়ার আছে কিনা তা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে প্রশ্ন। মনে হয় যেন সে একজন প্রথম শ্রেণির অফিসার। জানা যায়, বতর্মানে মিঠু যে চেয়ারটি ব্যবহার করছে সেই চেয়ারটি ছিল সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই’র। তৎকালীন চেয়ারম্যান আব্দুল হাই পরির্বতন করে নতুন চেয়ার নিয়ে আসলে, তার ব্যবহার করা চেয়ারটি সকলের চোখে ধুলো দিয়ে মিঠু নিজে ব্যবহার করতে থাকে। যেহেতু চেয়ারটি সর্বজন শ্রদ্ধেয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয় ব্যবহার করতেন, সেহেতু এই চেয়ারটি স্মৃতি ও সম্মানের সহিত সংরক্ষণ না করে পরিষদের একজন সাধারণ কর্মচারী নিজেই ব্যবহার করায় চেয়ারম্যান পদের চরম অবমাননা ছাড়া কিছু নয় বলে অনেকেই মনে করেন। এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন- আমি চেয়ারম্যান থাকাকালে মিঠু তার অফিস কক্ষ সাজানোর কোন বাজেট দেয়া হয়নি। সে হয়ত পরবর্তীতে কোন সোর্স থেকে টাকা সংগ্রহ করে এমনটা করতে পারে। চেয়ারম্যানের চেয়ার ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন- যে চেয়ারের কথা বলছেন সেটি আমার আগে আব্দুল কাদির চৌধুরী ব্যবহার করেছেন, পরবর্তীতে আমি কিছুদিন ব্যবহার করেছি। নতুন চেয়ার আনার পর ওই চেয়ারটি পরিষদে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সেই চেয়ারটি যদি মিঠু ব্যবহার করে থাকে তাহলে সেটি চরম বেয়াদবী এবং এখতিয়ার বহি:র্ভূত। সেটা পরিষদ এবং প্রশাসন দেখছে না কেন? এ ব্যাপারে বর্তমান চেয়ারম্যান সৈয়দ খলিলুর রহমান বলেন- মিঠুর অফিস কক্ষ সাজানোর বিষয়টি আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগেই হয়েছে। তবে সে এভাবে সাজানো স্টালে বসতে পারে না। নৈতিকতার পরিপন্থী। চেয়ার প্রসঙ্গে বলেন সাবেক চেয়ারম্যান মহোদয়গণের ব্যবহার করা চেয়ারটি মিঠু কোন অবস্থায়ই ব্যবহার করতে পারে না। তাহলে চেয়ারম্যান আর কর্মচারী সমান হয়ে গেল। বিষয়টি দেখতেছি।
এদিকে পরিষদের একজন সাধারণ কর্মচারী কনক দেব মিঠুর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে কোটিপতি বনে যাওয়া ও পাল সুন্দরী বধু নিয়ে বিমানযোগে কক্সবাজারে হানিমুনে যাওয়া নিয়ে বিভিন্ন প্রিণ্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, টুইটারে ভাইরাল হয়ে যায়। ফলে বাহুবল উপজেলাসহ দেশে বিদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সংবাদটি প্রকাশ হলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বশির আহমেদ মিঠুর পক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য দেন। ফলে বাহুবলে সর্বত্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর