
ভুক্তভোগী ও ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর গোলাপগঞ্জ শাখা থেকে রাজাগঞ্জ ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের জন্য ২০ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেন ব্যাংকের স্টাফ হাজী মোহাম্মদ আলী ও সাফওয়ান আহমদ। টাকা নিয়ে তাঁরা গোলাপগঞ্জ সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে একটি অটোরিকশাযোগে রানাপিং হয়ে রাজাগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
সিএনজিটি পৌর এলাকার দাঁড়িপাতন চত্বর এলাকায় পৌঁছামাত্র তিনটি মোটরসাইকেলে আসা একদল ছিনতাইকারী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গাড়িটির গতিরোধ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে একটি মোটরসাইকেল সিএনজির সামনে দাঁড়িয়ে পথ আটকে দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই আরও দুটি মোটরসাইকেলে থাকা একদল দুর্বৃত্ত সেখানে উপস্থিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে ত্রাসের সৃষ্টি করে। এ সময় ব্যাংক স্টাফ সাফওয়ান আহমদের হাতে থাকা টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ছিনতাইকারীরা।
মোহাম্মদ আলী জানান, “ব্যাংক থেকে টাকা তুলে আমরা গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিলাম। দাঁড়িপাতন এলাকায় পৌঁছা মাত্র মোটরসাইকেল আরোহীরা আমাদের পথ আটকায়। তারা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং চোখের পলকে টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।”
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, “টাকা ছিনতাইয়ের বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করতে এবং ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধারে পুলিশের তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”