
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৪ টি কোয়ারি থেকে অবাদে এবং অবৈধভাবে বিক্রি হয় সিলিকা বালু। অথচ এই চারটি বালু মহাল ইজারা দিলে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করতে পারতো। অবশ্য এই ৪টি মহালের মধ্যে ২টিতে মামলা রয়েছে। খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ে উদোগে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সিলিকা বালুর কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা ১২ মে মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়।
কুলাউড়া উপজলো নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো: আনিসুল ইসলাম, বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) সহকারী পরিচালক (ভূ-পদার্থ) মোঃ মাসুক-উন-নবী, কনসালটেন্ট মিজানুর রহমান, উপজেলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবু মাসুদ, বরমচাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম সুইট, উপজেলা বিএনপি সাবেক আহ্বায়ক রেদোয়ার খানঁ, হাজিপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুর আহমদ, ভাটেরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম পাখি, ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম,সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল,যুব নেতা সিরাজুল ইসলাম রাজন প্রমুখ। সভায় তথ্যচিত্র প্রদর্শণ করেন প্রকল্পের কনসালটেন্ট ফাহিম উদ্দিন।
সভায় জানানো হয়, মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৫২টি সিলিকা বালুর কোয়ারি রয়েছে । কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নে দেওছড়া, বোবাছড়া, ঘাগড়াছড়া ও বড়ছড়া কোয়ারি অন্যতম। কোয়ারিগুলো বন্ধ থাকায় রাতের আধারে বালু পাচার হচ্ছে। এতে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। সরকারি নীতিমালা ও পরিবেশগত প্রভাব বিবেচনা করে কোয়ারিগুলো ইজারা দিতে এলাকাবাসী একমত প্রকাশ করেন