সান মারিনোকে হারিয়ে ইউরোপে বাংলাদেশের ইতিহাস

এশিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের বিজয় পতাকা উড়ল এবার ইউরোপের মাটিতে। প্রথমবার ইউরোপ সফরেই ইতিহাস গড়ল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সান মারিনোকে হারিয়ে ইউরোপের কোনো দেশকে হারানোর ইতিহাস এখন বাংলাদেশের দখলে। এই জয়ে বাংলাদেশের মার্কিন কোচ ডুলির অধীনে নতুন যাত্রা শুরু হলো বাংলাদেশের।

শুক্রবার (৫ জুন) প্রীতি ম্যাচে ইউরোপের দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে তাদের মাটিতে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সফরকারীদের হয়ে জোড়া গোল করেন তপু বর্মণ। স্বাগতিকদের হয়ে গোলটি করেন জিওকোপেত্তি।

ম্যাচের ১৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে হামজার চৌধুরীরর ফ্রি-কিক আটকে যায় বক্সের মাথায়। তবে বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা।

বক্সের মাথায় জটলার মধ্য থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বামে পাশে ফাঁকায় থাকা শেখ মোরসালিনের কাছে পাস দেয় বাংলাদেশ। সেখান বক্সের মধ্যে দারুণ ক্রস বাড়ান মোরসালিন। এরপর দারুণ হেডারে বল জালে জড়িয়ে দেন তপু।

ম্যাচের ৩১তম মিনিটে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান জিওকোপেত্তি। ডানপ্রান্ত থেকে আক্রমণে ওঠে বাইলাইনের কাছে থেকে বক্স ছেড়া পাস দেন সান মারিনোর এক ফুটবলার। বক্সের মধ্যে ফাঁকায় পেয়ে যান সেটি জিওকোপেত্তি। দারুণ শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক মিতুল মারমা ঝাঁপিয়ে পড়ে বলের নাগাল পেলেও সেটি আটকাতে পারেননি তিনি।

ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে লিড নেওয়ার সহজ সুযোগ হারায় বাংলাদেশ। বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিলেন সাদ উদ্দিন। তার পেছনে দুজন ডিফেন্ডার থাকলেও সামনে ছিল কেবলই গোলরক্ষক। কিন্তু বল জালে জড়াতে পারেননি তিনি। উঁড়িয়ে মেরে পাঠান গ্যালারিতে।

বিরতি থেকে ফিরে প্রায় গোল পেয়েই গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ভাগ্য ফেরে গোলবারের বাধায়। ম্যাচের ৫২তম মিনিটে শমিত সোমের পাস থেকে বল পেয়েছিলেন সাদ। তিনি ক্রস বাড়িয়েছিলেন বক্সে। সেই ক্রস ধরে প্রথম টাচেই বল গোলবারের প্লেস করেছিলেন ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। কিন্তু সেটি ফিরে আসে গোলবারে লেগে।

দুই মিনিট পরে বক্সের বাহিরে ফ্রি-কিক পেয়েছিল সান মারিনো। সেখান থেকে সরাসরি গোলের চেষ্টা করেছিলেন বেরালদো। বল চলে যায় বক্সের সামান্য ওপর দিয়ে।

ম্যাচের ৬১তম মিনিটে আবারও ফ্রি-কিক থেকে গোরের চেষ্টা করেছিল স্বাগতিকরা। বক্সের অনেকটা বাহির থেকে নেওয়া লোরেঞ্জো লাজ্জারির শট দূরের পোস্টে গোলে ঢোকার চেষ্টায় ছিল। কিন্তু দারুণভাবে সেটি আটকে দেন মিতুল।

ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে বল সান মারিনোর দুইজনকে গতির ঝটকায় ছিটে দিয়ে বল বক্সের কাছে চলে গিয়েছিলেন বদলি নামা বিশ্বনাথ ঘোষ। সেখান থেকে শটও নিয়েচিলেন তিনি। কিন্তু বল গোলমুখে রাখতে পারেননি তিনি।

ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে সেটপিসম পেয়েছিল বাংলাদেশ। হামজার ফ্রি-কিক চলে যায় বক্সে। প্রথম দফায় পিছলে পড়ে গিয়েছিলেন তপু। বল পান বিশ্বনাথ। বুলেট গতির ভলি করেছিলেন তিনি। বিশ্বনাথের শটে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠিয়ে দেন তপু। উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশ। উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি।

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৩৮
  • ১১:৫৫
  • ৪:৩০
  • ৬:৪১
  • ৮:০৭
  • ৫:০৪