
সিলেটের হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা দ্বিতীয়বারের মতো গণনা চলছে।
শনিবার (১১ জুলাই) বেলা সোয়া ১১টার দিকে টাকা গণনা শুরু হয়। জেলা প্রশাসন ও মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে গণনা কার্যক্রম শুরু হয়।
মাজারের তিনটি ডেগ ও ছোট-বড় ৫টি দানবাক্সে সাড়ে ৪ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। টাকার সাথে পাওয়া গেছে বেশকিছু চিরকুটও।
এসব চিরকুটে কেউ লিখেছেন- চাকরি পেলে মাজারে খাসি দান করবেন, আবার কারো কারো বিরুদ্ধে অভিযোগের কথাও লেখা রয়েছে কোন কোন চিরকুটে।
তবে আবু জলিল হাবিব নামে নামে একজনের চিরকুটে সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলমকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এই চিরকুটেই খোকন নামে একজনের বিরুদ্ধে নানা অভেযাগো আনা হয়েছে।
চিরকুটে লেখা রয়েছে- ‘খোকন বাটপার সে মাজারের গরু, ছাগল, হাঁস, মোরগ বেচাকেনা করে। মাজারের খাদেমের অর্ধেকও বেশী তার ইশারায় চলে। খোকনের কারণে পূর্বের অনেক কর্মরত কর্মচারী চাকরি হারা, তাদের মধ্যে কিছু সবজি বিক্রি করে জীবন জীবিকা চালান। আমি চাই তার সঠিক বিচার হউক’।
চিরকুটের শেষ অংশে লেখা রয়েছে- ’সারোয়ার আলম ফিরে আসুক সিলেটে’।
চিরকুটের উল্লেখিত খোকন নামের ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মো.সারোয়ার আলম ছিলেন সিলেটের সাবেক জেলা প্রশাসক। তিনিই শাহজালাল (রহ.) মাজারের টাকা প্রকাশ্যে গণনার উদ্যোগ নেন। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে ২১ জুন সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়। পরদিন ২২ জুন দুপুরে ৭০০ বছরের প্রথা ভেঙে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে গণনা হয় শাহজালাল (রহ) মাজারের দানবাক্সের টাকা।
সিলেট/হা



