নাশকতাকারী সন্দেহে সাভারের হেমায়েতপুর শ্যামপুর এলাকা থেকে পাঁচটি হাতবোমাসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তির নাম আরিফ হোসেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাছের আরেকটি এলাকায় বোমা রয়েছে সন্দেহে একটি তিনতলা ভবন ঘিরে রেখেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। রাত সাড়ে ১১ টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে অভিযান চলেছে। এ পর্যন্ত সেখান থেকে ৯ টি হাত বোমা উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয় আব্দুল জলিলের মালিকানাধীন ওই ভবনটি ঘিরে ফেলে সিটিটিসি ও পুলিশ সদস্যরা।
সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, হেমায়েতপুর শ্যামপুর এলাকা থেকে ৫টি হাতবোমা, বিস্ফোরকসহ এক যুবককে আটক করেছে সিটিটিসি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাড়িতে অভিযান চলছে। বাড়িটি ১ আগষ্ট ভাড়া নিয়ে বিস্ফোরক রাখা হয়। প্রাথমিকভাবে এটিকে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) কাজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযানে জেএমবির বেশ কিছু লিফলেট এবং কয়েকটি ককটেল সদৃশ্য বস্তু এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বোমা তৈরির উপকরণ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে নিয়ে ওই এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
এ ঘটনার পর থেকে শ্যামপুর ও এর আশপাশের এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাংবাদিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ওই ভবনের কাছাকাছি যেতে বা আশপাশের এলাকায় অবস্থান করতে বাঁধা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সিটিটিসির এক কর্মকর্তা জানান, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে নাশকতাকারী সন্দেহে আরিফ হোসেন নামে এক যুবককে মঙ্গলবার আটক করা হয়। এ সময় তার কাছে ৫টি বোমা পাওয়া যায়। ভবনটির ভেতরে বিপুল পরিমাণ বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম আছে বলে সে আমাদের তথ্য দেয়। তবে তিনতলা বাড়িটি এখন তালাবদ্ধ। এরইমধ্যে সেখান থেকে ৯ টি হাত বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।
ভবনের কাছের এক মুদি দোকানদার জানান, প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা ধরে সিটিটিসি সদস্যরা বাড়িটি ঘিরে রেখেছেন। তারা ভবনের সামনের রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।
আমারসিলেট/হা



