শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, সময়ের সদ্ব্যবহারই মানুষকে সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সোনালী অতীত স্মরণ করে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, নবম শতকের মধ্যভাগে বাইতুল হিকমাহ বিশ্বের বৃহৎ গ্রন্থভাণ্ডার ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় অনন্য ভূমিকা রেখেছিল। সেই গৌরবময় ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন ও গবেষণায় এগিয়ে যেতে হবে। কঠোর পরিশ্রম, পরিকল্পিত জীবনযাপন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিতি মেধা ও মনন বিকাশের অন্যতম উপায়।
বৃহস্পতিবার সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসা পাঠানটুলা জামেয়া আয়োজিত দাখিল উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা ও তাদের প্রকাশিত স্মারক ‘উদ্ভাস’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামেয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. ইকবাল।
প্রভাষক মাওলানা ফখরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জামেয়ার উপাধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ ফয়জুল্লাহ বাহার, উপাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত) মাওলানা কমর উদ্দীন, মুহাদ্দিস মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ, শায়খ সাঈদ বিন নুরুজ্জামান মাদানী, সহকারী অধ্যাপক সালা উদ্দিন, আব্দুল মোত্তালেব ইবনে কাবেদ, ফারুক মিয়া, নাজিরেরগাঁও শাখার ইনচার্জ মাওলানা মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার, শ্রেণি শিক্ষক মাওলানা সাইফুর রহমান, ছাত্র প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান গালিব ও কৃতি শিক্ষার্থী আহমদ আব্দুল বাসিত।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা মো. লুৎফুর রহমান বলেন, পরীক্ষা কিংবা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী হতে হবে এবং জ্ঞান ও চরিত্রের সমন্বয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।শুধু সার্টিফিকেট অর্জন কিংবা বড় হওয়াই শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়। জ্ঞানার্জনের মূল লক্ষ্য হতে হবে সত্যিকারের মানুষ হওয়া এবং নৈতিক শক্তিতে এগিয়ে থাকা।



