ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারের পর এবার মন্থর ওভার গতির শাস্তিও পেল পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১১ ওভার কম করায় পাকিস্তানের খাতায় যোগ হয়েছে বড় ধরনের পয়েন্ট কর্তন।
আইসিসি সোমবারের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সময়ের জন্য বরাদ্দ অতিরিক্ত সুবিধা হিসাব করার পরও পাকিস্তান ১১ ওভার পিছিয়ে ছিল। ফলে তাদের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসাবে ১১ পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানাও করা হয়েছে দলের খেলোয়াড়দের।
এর ফলে ইংল্যান্ড সিরিজ শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫ পয়েন্টে। পয়েন্টের শতাংশ ৪ দশমিক ৬৩। এতে তারা তালিকার তলানিতে থাকা অবস্থান আরও শক্ত করেছে। তাদের ওপরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৩০ পয়েন্ট, পয়েন্টের শতাংশ ২০ দশমিক ৮৩। ইংল্যান্ড সফরের প্রথম টেস্টে হেডিংলিতে হারের পরই পাকিস্তান তালিকার অষ্টম স্থান থেকে নবম স্থানে নেমে গিয়েছিল।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি চক্রে পাকিস্তানের আরও দুটি সিরিজ বাকি। চলতি বছরের নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবং ২০২৭ সালের মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে তারা। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে চলতি বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে।
টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের সময়টা যে কতটা হতাশাজনক, তার প্রমাণ মিলছে পরিসংখ্যানেও। চলতি চক্রে এখন পর্যন্ত ৯টি টেস্ট খেলে মাত্র দুটিতে জয় পেয়েছে তারা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হারের পর দলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়।
দ্বিতীয় টেস্টের পর মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আগা ও ইমাম-উল-হকসহ সাত খেলোয়াড়কে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে টেস্ট দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে এখন পাকিস্তান।



