গোলাপগঞ্জের সুরমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ফুসে উঠছে বাঘা ইউনিয়নবাসী। বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে দফায় দফায় প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হচ্ছে। শনিবার বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচী পালন ও প্রতিবাদ সভা করে সুরমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাঘা ইউনিয়নবাসী।
শনিবার বাঘা ইউনিয়নে অবস্থিত বাঘা গোলাপনগর আরাবিয়া ইসলামীয়া দারুল হাদিস মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
বাঘা ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সুরমা নদীর পাড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফিজ জামিল আহমদ। মাদ্রাসার হিসাবরক্ষক মাওলানা মোশাররফ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর কাদের সেলিম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ছানু মিয়া, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম কলিম,আবুল হাসনাত, নজরুল ইসলাম,বাঘা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম পারভেজ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক জামাল আহমদ,ইউনিয়ন কৃষকদলের আহবায়ক শাকিল আহমদ,হাজী আতিকুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম, হাজী মাহতাব উদ্দিন,সাদ উদ্দিন,জয়নুর রহমান, মাও.এনাম উদ্দিন,নিহাদ আহমদ ও বাবু যিষু দেব। মানববন্ধনের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাদ্রাসার শিক্ষক
ক্বারী মাওলানা ফুজায়েল আহমদ।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে সুরমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি সুবিধাভোগী চক্র। বিগত দিনে এমন গড়হুত কাজ করিলে বর্তমানে তা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিরাতে বাঘা মাদ্রাসার আশপাশ এবং কান্দিগাও খেয়াঘাট সংলগ্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় গোলাপনগর আরাবিয়া ইসলামীয়া দারুল হাদিস মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঘা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, খেতের ফসলূ জমি এবং বাড়ীঘর পড়েচে চরম ঝুঁকির মধ্যে। আগামী শুস্ক মৌসূমে নদীভাঙ্গন আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেতে পারে। বক্তারা বলেন,বর্তমানে বালুখেকো চক্র এতটাই বেপরোয়া যে তারা কোন কিছুই পরোয়া করছেনা। বাঘাবাসী জেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আশু দৃষ্টি কামনা করছেন। এর আগে পৌরসভার স্বরসতি কান্দিগাও খেয়াঘাট এলাকা থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য গত ৭ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বাঘা গোলাপ নগর আরাবিয়া ইসলামীয়া দারুল হাদিস মাদ্রাসার পক্ষ থেকে অভিযোগ দিয়েছিলেন।কিন্তুু এরপরও বালুখেকো চক্র সুরমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।



