ভয়ংকর পুলিশ : পর্ব-৭

আতিকুল দম্পতি : ‘গ্রেট ম্যান করাপ্ট গ্রেটলি’

আতিকুল দম্পতি : ‘গ্রেট ম্যান করাপ্ট গ্রেটলি’

একটা প্রবাদ আছে – ‘পাওয়ার করাপ্টস, এবসলিউট পাওয়ার করাপ্ট এবসলিউটলি’। কিন্তু এর চেয়েও ভয়ংকর সত্য হলো: – ‘গ্রেট ম্যান করাপ্ট গ্রেটলি’।

ছোট মানুষ যখন দুর্নীতি করে, সে পকেট মারে। বড় মানুষ যখন দুর্নীতি করে, সে দেশের ভাগ্যই মেরে দেয়।

একজন পিয়ন ৫০০ টাকা ঘুষ নিলে একটা ফাইল আটকে থাকে। কিন্তু একজন সচিব, একজন আইজিপি, একজন প্রকল্প পরিচালক যখন দুর্নীতি করে, তখন একটা গোটা মন্ত্রণালয়, গোটা বাহিনী, গোটা প্রকল্পটাই পচে যায়। পিয়নের দুর্নীতি চোখে দেখা যায়, মহান মানুষের দুর্নীতি চোখে দেখা যায় না, কারণ সে দুর্নীতিকে নিয়ম বানিয়ে ফেলে।

ইতিহাস তাই বলে। সাধারণ চোর জেল খাটে, কিন্তু বড় চোর ইতিহাস বানায়। সে আইন বানায় নিজের জন্য, সে নীতি বানায় নিজের লোককে বাঁচানোর জন্য। তার একটা সইতে হাজার কোটি টাকা এদিক থেকে ওদিক হয়, তার একটা ফোনে একজন খুনি জামিন পেয়ে যায়, একজন সৎ অফিসার বদলি হয়ে যায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে।

আমরা কেন মহান মানুষদের ধরতে পারি না? কারণ আমরা তাদের মহান ভাবি। তাদের ছবি পত্রিকায় ছাপা হয়, তাদের বক্তৃতায় আমরা হাততালি দিই। তাদের মেধা, তাদের চেয়ার, তাদের পাওয়ার আমাদের অন্ধ করে দেয়। আর এই অন্ধত্বের সুযোগেই তারা সবচেয়ে বড় দুর্নীতিটা করে।

একজন রিকশাওয়ালা দুর্নীতি করলে সমাজের ক্ষতি ১০ টাকা। একজন ক্ষমতাবান দুর্নীতি করলে সমাজের ক্ষতি ১০ প্রজন্ম। কারণ সে শুধু টাকা চুরি করে না, সে বিশ্বাস চুরি করে। মানুষ যখন দেখে তার সবচেয়ে শ্রদ্ধার মানুষটাই সবচেয়ে বড় চোর, তখন সে আর কাউকে বিশ্বাস করে না। রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বাসটাই তখন ভেঙে পড়ে।

তাই দুর্নীতি দমনে ছোটদের ধরা বন্ধ করতে হবে না, বড়দের ধরা শুরু করতে হবে। অফিসের পিয়নকে সিসি ক্যামেরায় না রেখে, বসের বিদেশের বাড়ির খোঁজ নিতে হবে। দুদকের উচিত গরিবের ভ্যান নয়, সাহেবের ফাইল খোঁজা।

মনে রাখতে হবে, ছোট মানুষকে শাস্তি দিলে একটা অপরাধ কমে। আর বড় মানুষকে শাস্তি দিলে হাজারটা অপরাধ জন্মানোর আগেই মরে যায়।
এমনি এক বড়ো মাপের করাপ্ট দম্পতি হচ্ছেন আতিকুল ইসলাম ও জাকিয়া সুলতানা।
সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুল ইসলাম
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সরকারের শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা নানামুখী দুর্নীতি ও ক্ষমতা অপব্যবহার করেছেন। এই দম্পতি যেমন দুর্নীতি করে অঢেল টাকা বানিয়েছেন, তেমনি কোটি কোটি টাকা খর্চ করে বাগিয়েছেন পদোন্নতি ও লোভনীয় পোস্টিং। কখন সরকারে কে আছে তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। নগদ টাকাই হলো তাদের শক্তির চাবিকাঠি।
আতিকুল ইসলাম ৩ দশকের চাকুরি জীবনে সকল সরকারের সময় সুবিধাভোগ করেছেন, কখনই রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়তে হয়নি তাকে। অত্যন্ত দোর্দন্ড প্রতাপে গাজীপুরের এসপি হিসেবে ১ টার্ম পূর্ণ করেছেন। গাজীপুর তখন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া হিসাবে দ্রুত বিকাশমান ছিল। দুই হাতে কামিয়েছেন শত কোটি টাকা থেকে হাজার কোটি টাকা। নামে বেনামে কিনেছেন শত শত বিঘা জমি। বিএনপি আমল শেষ হলেই তার দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকে।
২০০৯ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতার বদল হলেও গাজীপুর থেকে কামাই করা শত শত কোটি টাকার অংশবিশেষ ব্যয় করে আতিকুল ইসলাম মিশে যান আওয়ামী বলয়ে। সম্পূর্ণ ভোল পাল্টে হয়ে যান বড় আওয়ামীলীগার। এর পর দ্রুততার সাথে এডিশনাল ডিআইজি, ডিআইজি এবং শেষে দায়িত্ব পালন করেন র্তমানে পুলিশের এডিশনাল আইজি। আগামীতে আতিকুল আইজিপি হলেও অবাক হবার কিছু থাকবে না। জামাত থেকে ভোল পাল্টে বড় আওয়ামীলীগ হতে তাকে দিতে হয়েছে বেশী বেশী সার্ভিস এবং ক্যাশ। এজন্য অতি আগ্রহী হয়ে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের ধরে ধরে গ্রেফতার, গুম, ক্রসফায়ার, নৈশভোটের ইলেকশন সবই করেছেন আতিকুল ইসলাম!

স্বামী আতিকুলের সাথে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে পিছিয়ে নেই স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা, বর্তমানে সরকারের শিল্প সচিব। ১০ম বিসিএসে ১৯৯১র ডিসেম্বর মাসে বিসিএস প্রশাসনে যোগ দিয়ে সারাটা জীবন ঢাকা বা তার আশেপাশেই কাটিয়েছেন। জাকিয়া সুলতানার দূর্নীতির হাতেখড়ি একেবারে চাকুরির শুরুর দিকে। স্বামী আতিকুল ইসলাম-এর দুর্নীতির রেসে জাকিয়া সুলতানা সমান তালে এগিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ সহ বিভিন্ন লোভলীয় পোস্টিং দুই হাতে কামিয়েছেন। সেই টাকার একাংশ ঘুষ দিয়ে আবার বিভিন্ন সময়ে বাগিয়ে নিয়েছেন মহিলা ও শিশু, স্থানীয় সরকার, পরিবেশ, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে লোভনীয় পোস্টিং। ঢাকার বাইরের পোস্টিংগুলো জাকিয়া সুলতানার জন্য নয়। ঢাকার বাইরের পোস্টিংয়ে যাবে তেলবাজ নয় এমন মেধাবী বা লবিং না করা আওয়ামী অফিসাররা!
আতিকুল ইসলাম-জাকিয়া দম্পতির দুর্নীতির একটি খতিয়ান দেখা যাক:
গাজীপুরের এসপি থাকাকালে শত শত কোটি টাকা কামাই করে তা ইনভেস্ট করে পদোন্নতি নেন এডিশনাল ডিআইজি, তারপর ডিআইজি নৌ পুলিশ, এবং অতঃপর অতিরিক্ত আইজিপি। নৌপুলিশের ডিআইজি পদে থেকে আতিকুল ইসলাম গাজীপুর শালনাতে ২৫০ বিঘা জমি কিনে নেন। এই জমি কিনতে গিয়ে ডিআইজি আতিকুল ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্থানীয়দের ভয়ভীতি দেখিয়ে কম দামে হাসিল করেছেন। নৌপুলিশের এমন কোন খাত নেই যেখান থেকে আতিক টাকা কামাই করেনি-মাছ ধরার নৌকা, কারেন্ট জাল পাতা, নৌপুলিশের অফিস নির্মাণ, নৌপুলিশের বাডড়ি ভাড়া নেওয়া, জলযান ও অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়সহ কি নেই তার দুর্নীতির সীমায়।
এডিশনাল আইজিপি হতে গিয়ে আতিকুল ইসলাম নগদ ১০ কোটি টাকা এবং ৫০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক পার্টনারশিপে আটকে ফেলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হারুন অর রশীদ ও স্বরাষ্ট্র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিনকে। মন্ত্রী পর্যায়সহ সব মিলিয়ে প্রায় শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে অতিরিক্ত আইজিপি পদটি বাগিয়ে নিয়েছেন আতিকুল। পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্রি বদলি হয়েও চলে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ড। অবৈধ কারেন্ট জালের মালিকদের একপক্ষকে সুবিধা দিয়ে অন্য পক্ষকে অসুবিধা সৃষ্টি করেন আতিকুল ইসলাম। ইন্সপেক্টর কবীরকে দিয়ে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর ফাড়ি থেকে প্রতিমাসে ৫-৮ কোটি টাকা মাসোহারা তুলে নেন তিনি।
শুধু তাই নয়, স্ত্রী জাকিয়াকে সচিব পদে পদোন্নতি দিতে ১০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন স্বামী আতিকুল। অনেক মেধাবীদের বাদ দিতে ১৪৫ সিরিয়ালের জাকিয়া সুলতানা যখন সচিব পদে পদোন্নতি পান প্রশাসনের অনেকেই চমকে উঠেছেন। পোস্টিং পান শিল্প সচিব হিসেবে। এখানেও আছে দুর্নীতির বিশাল সুযোগ। ডিপার্টমেন্টের জন্য পুরানা লঞ্চ ক্রয় করে রং করে বেশি দাম দেখিয়ে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেন নৌপুলিশ প্রধান আতিক। বিভিন্ন জেলায় নৌ পুলিশের টহল দলে কম তেল ব্যবহার করে সেই টাকার ভাগও নেন আতিকুল ইসলাম।এছাড়া গুলশান পুলিশ প্লাজাতে এডিশনাল আইজিপি আতিকুল ও তার স্ত্রী জাকিয়ার স্বনামে-বেনামে প্রায় ১৪টি দোকান আছে। দুর্নীতি ও লুটপাটের টাকায় ঢাকার মিরপুর পাইকপাড়াতে নির্মাণ করা তার নিজের বাড়িকে শ্বশুড়বাড়ি পরিচয় দিয়ে নৌপুলিশের ঢাকার অফিস বানিয়েছেন আতিকুল ইসলাম। ইতোপূর্বে তিনি নিজেও এই বাড়িটি তার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করতেন। পুলিশ ও প্রশাসন সার্ভিসে আতিক-জাকিয়া দম্পতির মতো দুর্নীতি, লুটতরাজ, সব আমলে সুবিধাভোগী, পল্টিবাজীতে চ্যাম্পিয়ান পরিবারের কোনো উদাহরণ আর নেই।ইতোপূর্বে ‘শিল্প সচিব জাকিয়া ও তার পুলিশ স্বামীর দুর্নীতির সাতকাহন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় মিডিয়ায়। এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সরকারের শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানার নানামুখী দুর্নীতি ও ক্ষমতা অপব্যবহারের খবরে চাউরে হয়েছে সচিবালয় ও পুলিশ প্রশাসনে। তারা দম্পতি যেমন দুর্নীতি করে অঢেল টাকা বানিয়েছেন, তেমনি কোটি কোটি টাকা খরচ করে বাগিয়েছেন পদোন্নতি ও লোভনীয় পোস্টিং। কখন সরকারে কে আছে তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। নগদ টাকাই হলো তাদের শক্তির চাবিকাঠি। ঠিক যেনে রূপকথার গল্প।’

অনুসন্ধানে জানাগেছে, ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলায় জন্ম নেয়া মো. আতিকুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিসে যোগদান করেন ১২তম বিসিএসে ১৯৯১ সালের জানুয়ারীতে। ৩ দশকের চাকরী জীবনে সকল সরকারের সময় সুবিধাভোগ করেছেন, কখনই রাজনৈতিক গ্যাড়াকলে পড়তে হয়নি তাকে। ২০০৩ সালে বিএনপি আমলে কট্টর জামায়াতি এসপি হিসাবে প্রাইজ পোস্টিং দোর্দন্ড প্রতাপে গাজীপুরের এসপি হিসাবে এক টার্ম পূর্ণ করেছেন। গাজীপুর তখন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া হিসাবে দ্রত বিকাশমান ছিল। দুই হাতে কামিয়েছেন শত কোটি টাকা থেকে হাজার কোটিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তার তৎকালীন সহকর্মীদের অনুমান। নামে বেনামে কিনেছেন শত শত বিঘা জমি। বিএনপি আমল শেষ হলে সেই সময়ে পুলিশ অফিসারদের পরবর্তী আওয়ামীলীগ সরকারে ভাগ্যপতন হলেও কেবল আতিকুল ইসলামের সৌভাগ্যের চাকা চলতেই থাকে। আর এর মূল চালিকা শক্তি হলো নগদ নারায়ণ। খেতেও পারেন, খাওয়াতেও সমান দক্ষ!
প্রবেশনার পিরিয়ড শেষ হতে না হতেই ১৯৯৪ সালে বিএনপি আমলে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে ঢোকেন, তারপরে ডিএমপির বিভিন্ন পদ এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ মিলিয়ে ২০০৪ সাল অবধি ঘুরে ফিরে ঢাকায় কাটান। এরপরে পুলিশ সুপার সিআইডি এবং গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপারের পদটি বাগিয়ে নেন। ২০১০ সালে পদোন্নতি পেয়ে এআইজি, ২০১২ সালে অতিরিক্ত ডিআইজি, ২০১৪ সালে ডিআইজি (এইচআর) হিসেবে পুলিশ হোডকোয়াটার্সে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, ২০১৬ সালে ডিআইজি হাইওয়ে এবং ২০১৯ সালে নৌ পুলিশের ডিআইজি এবং ২০২১ সালে অতিরিক্ত আইজিপি পদোন্নতি নিয়ে নৌপুলিশের মজাই লুটতে থাকেন।
২০০৯ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতার বদল হলেও গাজীপুর থেকে কামাই করা শত শত কোটি টাকার অংশবিশেষ ব্যয় করে আতিকুল ইসলাম মিশে যান আওয়ামী বলয়ে। সম্পূর্ণ ভোল পাল্টে হয়ে যান বড় আওয়ামীলীগার। এর পর দ্রততার সাথে এডিশনাল ডিআইজি, ডিআইজি এবং পুলিশের এডিশনাল আইজি। জামাত থেকে ভোল পাল্টে বড় আওয়ামীলীগ হতে তাকে দিতে হয়েছে বেশী বেশী সার্ভিস এবং ক্যাশ। এজন্য অতি আগ্রহী হয়ে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের ধরে ধরে গ্রেফতার, গুম, ক্রসফায়ার, নৈশ ভোটের ইলেকশন সবই করেছেন আতিকুল ইসলাম!

স্বামী আতিকুলের সাথে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে পিছিয়ে ছিলেন না স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা। ছিলেন সরকারের শিল্প সচিব। ১০ম বিসিএসে ১৯৯১র ডিসেম্বর মাসে বিসিএস প্রশাসনে যোগ দিয়ে সারাটা জীবন ঢাকা বা তার আশেপাশেই কাটিয়েছেন। জাকিয়া সুলতানার দূর্নীতির হাতেখড়ি একেবারে চাকুরীর শুরুর দিকে। স্বামী আতিকুল ইসলাম এর দূর্নীতির রেসে জাকিয়া সুলতানা সমান তালে এগিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ সহ বিভিন্ন লোভলীয় পোস্টিং দুই হাতে কামিয়েছেন। সেই টাকার একাংশ ঘুষ দিয়ে আবার বিভিন্ন সময়ে বাগিয়ে নিয়েছেন মহিলা ও শিশু, স্থানীয় সরকার, পরিবেশ, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে লোভনীয় পোস্টিং। ঢাকার বাইরের পোস্টিংগুলো জাকিয়া সুলতানার জন্য নয়। ঢাকার বাইরের পোস্টিংয়ে যাবে তেলবাজ নয় এমন মেধাবী বা লবিং না করা অফিসাররা!
গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার জাকিয়াকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করে। আর তার স্বামী আতিককে ২০২৪ সালের আগস্টে পাঠায় বাধ্যতামূলক অবসরে।

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:২৬
  • ১১:৫০
  • ৪:১১
  • ৫:৫৭
  • ৭:১০
  • ৫:৪০