আজ ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। একই দিনে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতাও শুরু হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনির মৃত্যু এমন এক যুদ্ধের সূচনা করেছিল যেখানে ওয়াশিংটন আশা করেছিল ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য নিজেদের পক্ষে বদলে দেবে। কিন্তু তার পরিবর্তে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র টিকে রইল, এর প্রতিষ্ঠানগুলোও অক্ষুণ্ণ থাকল এবং যুদ্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত বা কৌশলগত উদ্দেশ্যগুলো অধরাই থেকে গেল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস এবং খামেনির জানাজার তারিখ ইচ্ছাকৃতভাবে একই দিনে নির্ধারণ করা হয়েছিল—এমন কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য নেই। কারণ, ইরানের জানাজার সময়সূচি দেশটির ধর্মীয় ও জাতীয় ক্যালেন্ডার অনুসারে নির্ধারিত হয়। তবুও সময়ের এই মিল রাজনৈতিকভাবে প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করছে, তখন ইরান ও ইরাকে লাখো মানুষ এমন এক নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে সমবেত হচ্ছেন, যিনি বিশ্বজুড়ে ওয়াশিংটনের বজায় রাখতে চাওয়া মার্কিন আধিপত্যের ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

খামেনি সেই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আজীবন প্রতিরোধের পরই শহীদ হয়েছিলেন। তিনি পিছু হটে, আপস করে বা রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে মারা যাননি। তিনি যে প্রকল্পের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তা ভেঙে দেওয়ার জন্য শুরু হওয়া এক যুদ্ধে তিনি শহীদ হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *