বড়লেখায় বসতবাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া, ভুমি জবর-দখল, গাছপালা কেটে নেওয়াসহ নানা হয়রানীর ব্যাপারে আদালতে মামলা করায় প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলা তোলে নেওয়ার ও হুমকি-ধমকি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ঘোলসা গ্রামের ভুক্তভোগি আব্দুস সালাম সদই শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুস সালাম সদই বলেন, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা সোনাহর আলী, মহব্বত আলী, এখলাছ আলী, নজরুল ইসলাম প্রমুখের সঙ্গে কয়েক বছর ধরে তার বিরোধ চলছে। এর জেরে তারা বসতবাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ভূমি জোরপূর্বক জবরদখল ও ভূমির ওপর থাকা গাছপালা কেটে নেয়। এব্যাপারে তিনি আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে তারা বিভিন্নভাবে হয়রানি, হুমকি-ধমকি ও ক্ষয়ক্ষতির চেষ্টা অব্যাহত রাখেন। প্রায় ৫ বছর আগে বিরোধীয় ভূমির ওপর আদালত ১৪৪ ধারা জারি করলেও তা ভঙ্গ করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই মামলায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সাজা হয়। কিন্তু এরপরও অব্যাহতভাবে হয়রানি করতে থাকে। সম্প্রতি নতুন করে ভূমি দখল ও গাছ কেটে নেওয়ায় আবারও তিনি আদালতে মামলা করেন। বিরোধের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার জন্য একাধিকবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও প্রতিপক্ষ সালিশগনের সমাধান মানেনি। আদালতের নির্দেশে তদন্তকারি পুলিশ কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পান। এতে তারা আরো ক্ষীপ্ত হয়, মামলা তোলে নিতে অব্যাহতভাবে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ও তার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। তারা অত্যন্ত প্রভাবশালী, যেকোনো সময় বড় ক্ষতির আশংকা করছেন তিনি।
সোনাহর আলী, মহব্বত আলী প্রমুখ হুমকি-ধমকির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আব্দুস সালাম সদই একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে হয়রানী করছে। সম্প্রতি পুলিশকে প্রভাবিত করে তার দায়েরকৃত একটি মামলার প্রতিবেদন তার পক্ষে নিয়েছে বলে জেনেছেন।



