আমরা সেই টাকা দিয়েছি। কিন্তু অনুষ্ঠানের ঠিক আগে জেমসের ম্যানেজার রবিন টিকিট কাউন্টার থেকে আরও প্রায় ১৪ হাজার ইউরোর সমমান টিকিটের টাকা নিয়ে যান। সেই টাকা আয়োজকদের টাকা। জেমসের সঙ্গে আয়োজকদের ডিনারের কথা ছিল কিন্তু ম্যানেজার রবিন সেই ব্যবস্থাও করেননি। আমাদের জন্য কন্টেন্ট বানানোর কথা ছিল তাও করেননি। অনুষ্ঠানের সময় আমি আয়োজক, আমাকেই স্টেজে উঠতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রবিন অন্যদের সঙ্গে ডিনারের ব্যবস্থা করিয়েছেন। এতে আমরা আয়োজকরা ক্ষুব্ধ।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, জেমস আমাদের সংগীতের গুরু। তাকে নিয়ে তো আমাদের কোনো ক্ষোভ নেই। কিন্তু তার কাছে যেসকল তথ্য পৌছানোর কথা তা পৌঁছানো হয়নি। এজন্যই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দ্রুত সংবাদ সম্মেলন করবো।
এবিজেনের মালিক মুয়াজ বলেন, ২২ আগস্ট ইতালির ভেনিসে জেমসের দ্বিতীয় কনসার্টের আয়োজকও আমরা ছিলাম। আমরা টিকিটও বিক্রি করেছি। এখন জেমসের ম্যানেজার বলছেন অন্য প্রতিষ্ঠান সেখানে প্রোগ্রাম
আয়োজন করেছে। এখন আমাদের কাছ থেকে যারা টিকিট কেটেছিলেন তাদের টিকিট আমরা রিফান্ড করতেছি। আমরা রবিনের কাছে আর্থিক ক্ষতি দাবি করবো।
জেমসের হোটেল নোংরা ও ভাড়া পরিশোধের ব্যাপারে মুয়াজ বলেন, হোটেল নোংরা জেমস করেননি, জেমসের সঙ্গে থাকা একজনের রুম নোংরা ছিল। যার জন্য আমাদের ২০০ ইউরো জরিমানা দিতে হয়েছে।
এসব অভিযোগের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ইতালির ভেনিসে সংবাদ সম্মেলনে জেমস বলেন, আমাদের একজন ইয়াং অতিথি গিটারিস্ট ছিল। ইয়াং ছেলে তো রুম ক্লিন করে নাই। আর তাতে কি হয়েছে? হোটেল নোংরা হলে তো প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়। এটা এমন কিছু না। অনেকে সিগারেটও খায়। ২০০ ইউরো জরিমানা কিছু না। এটা এমন কোনো ঘটনা না।
হোটেলের ছবি বাইরে আসার ব্যাপারে জেমস বলেন, হোটেল আমাদের তো কোনো কমপ্লিন করেনি। ভেনিসে আসার পর জানতে পারলাম। আমাদের কারোরও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যার যা খুশি লেখার অধিকার আছে, এগুলো বড় করে দেখার কিছু নেই।



