এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা

২৮ শিক্ষকের দুই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ৩২, পাস করেননি কেউ

২৮ শিক্ষকের দুই মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ৩২, পাস করেননি কেউ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ২০টি দাখিল মাদ্রাসার মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এমপিওভুক্ত দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা ও হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা। দুটি প্রতিষ্ঠানে থেকে যথাক্রমে ১৪ জন ও ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

এদিকে মঙ্গলবার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল কাদের বিশ্বাস একজনও পাস করতে না পারা দুটি দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

গত সোমবার প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকায় ২০টি দাখিল মাদ্রাসা আছে। এসব মাদ্রাসার মধ্যে ১৮টি দাখিল মাদ্রাসায় গড় পাসের হার মাত্র ২০ শতাংশ। আর মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসায় ১৪ জন পরীক্ষার্থী ও বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি।

অথচ তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসায় ওই ১৪ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েছেন ১৩ জন শিক্ষক। পাশাপাশি হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করান ১৫ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক। এরপরও কোনো পরীক্ষার্থী পাস না করায় প্রতিষ্ঠান দুটিতে পাসের হার শূন্য হয়েছে।

অবশ্য হামকুড়িয়া এলাকার আবদুস সামাদ নামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভাষ্য, এ উপজেলায় মাদ্রাসার গড় পাসের হার মাত্র ২০ শতাংশ, যা হতাশাজনক। তার ওপর দুটি মাদ্রাসায় একজনও পাস করতে পারেনি, সেটা আরও হতাশাজনক।

তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল কাদের বিশ্বাস বলেন, শূন্য পাসের হারের ওই দুটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থী কেন পাস করেনি, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে উপজেলার ২০টি দাখিল মাদ্রাসার সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে যা যা করা দরকার, তার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

 

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ২০টি দাখিল মাদ্রাসার মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এমপিওভুক্ত দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো- মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসা ও হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা। দুটি প্রতিষ্ঠানে থেকে যথাক্রমে ১৪ জন ও ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।

এদিকে মঙ্গলবার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল কাদের বিশ্বাস একজনও পাস করতে না পারা দুটি দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

গত সোমবার প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌর এলাকায় ২০টি দাখিল মাদ্রাসা আছে। এসব মাদ্রাসার মধ্যে ১৮টি দাখিল মাদ্রাসায় গড় পাসের হার মাত্র ২০ শতাংশ। আর মাধাইনগর ইউনিয়নের সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসায় ১৪ জন পরীক্ষার্থী ও বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি।

অথচ তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরাপপুর দাখিল মাদ্রাসায় ওই ১৪ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করিয়েছেন ১৩ জন শিক্ষক। পাশাপাশি হামকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীকে পাঠদান করান ১৫ জন এমপিওভুক্ত শিক্ষক। এরপরও কোনো পরীক্ষার্থী পাস না করায় প্রতিষ্ঠান দুটিতে পাসের হার শূন্য হয়েছে।

অবশ্য হামকুড়িয়া এলাকার আবদুস সামাদ নামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ভাষ্য, এ উপজেলায় মাদ্রাসার গড় পাসের হার মাত্র ২০ শতাংশ, যা হতাশাজনক। তার ওপর দুটি মাদ্রাসায় একজনও পাস করতে পারেনি, সেটা আরও হতাশাজনক।

তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবদুল কাদের বিশ্বাস বলেন, শূন্য পাসের হারের ওই দুটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থী কেন পাস করেনি, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে উপজেলার ২০টি দাখিল মাদ্রাসার সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে যা যা করা দরকার, তার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

 

আমারেসিলেট/হা

নামাজের সময়সূচি
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০৪
  • ১২:০২
  • ৪:৩৫
  • ৬:৩৬
  • ৭:৫৫
  • ৫:২৩