আজ আমরা প্রযুক্তির যুগে বাস করছি। আমাদের হাতে স্মার্টফোন, চোখের সামনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য তথ্য। কিন্তু তথ্যের প্রাচুর্য মানেই জ্ঞানের প্রাচুর্য নয়। তথ্য আমাদের জানায়—কিন্তু সাহিত্য আমাদের ভাবতে শেখায়। আর যে জাতি ভাবতে শেখে, সে জাতিই ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে। সাহিত্য মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে। অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করার সাহস দেয়, অসুন্দরের বিরুদ্ধে সুন্দরকে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখায়। একজন কবি হয়তো একটি কবিতায় সমাজের একটি সমস্যাকে তুলে ধরলেন; একজন গল্পকার হয়তো একটি চরিত্রের জীবনের মধ্য দিয়ে আমাদের সামনে পুরো সমাজের ছবি তুলে ধরলেন। এভাবেই সাহিত্য নিঃশব্দে সমাজ পরিবর্তনের শক্তি হয়ে ওঠে।
সিলেটের সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার প্রাণকেন্দ্র কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ-কেমুসাসের ১২৮৩তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে আলোচনাকালে আলোচকগণ উপরোক্ত কথা বলেন।
২০ আগস্ট ২০২৬ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেমুসাসের সাহিত্য আসর কক্ষে সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক কথাসাহিত্যিক-ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে ও ছড়াকার আব্দুস সামাদ অয়ন ও এস এম ফাহিমের যৌথ সঞ্চালনায় আসরে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি মাহফুজ জোহা ও কবি শামসীর হারুনুর রশীদ।
আসরের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কামাল আহমদ। স্বরচিত লেখা পাঠে অংশগ্রহণ করেন সৈয়দ আসলাম হোসেন, এ বি এম হাসান চৌধুরী, আতাউর রহমান বঙ্গী, কামাল আহমদ, এস এম নজরুল ইসলাম তালুকদার, মিলন কান্তি দাস, আতাউর রহমান, অমিত মামুন, লবিদ হোসেন, মোহাম্মদ ঈসা তালুকদার, কবির মাহমুদ, ফজলুর রহমান ফজলু, কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল, দিদার আহমদ প্রমুখ। গান পরিবেশন করেন বিমান বিহারী বিশ্বাস, গীতিকবি বাহাউদ্দিন বাহার, কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল ও লিলু মিয়া। সেরালেখক মনোনীত হন অমিত মামুন।



